শব্দদূষণ রোধে সবাইকে সচেতন হতে হবে : আনোয়ার হোসেন মঞ্জু

আপডেট : ২৭ এপ্রিল ২০১৭, ০০:২৫

পরিবেশ ও বন মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু বলেছেন, শব্দদূষণ একটি নীরব ঘাতক। এটি রোধে সবাইকে সচেতন হতে হবে। নানা কর্মসূচি পালনের মাধ্যমে ইতিমধ্যে এ বিষয়ে জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতা তৈরি হয়েছে। গতকাল বুধবার রাজধানীতে শব্দ সচেতনতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। পরিবেশ অধিদপ্তর মানিক মিয়া এভিনিউতে এ সমাবেশের আয়োজন করে।

আনোয়ার হোসেন মঞ্জু বলেন, পৃথিবীর অন্যান্য এলাকার চাইতে এ উপমহাদেশে শব্দদূষণ বেশি। এখানে প্রায় সবাই হর্ন বাজায়। কিন্তু অনেক দেশে গাড়ির হর্ন বাজালে অভদ্রতা হিসেবে দেখা হয়। তিনি বলেন, শব্দদূষণ যে ক্ষতিকর তা বাংলাদেশের লোকজন ক্রমান্নয়ে বুঝতে পারছে। এ সম্পর্কে এখন অনেকেই সচেতন। এরপরও নতুন প্রজন্ম বিশেষ করে স্কুল কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে সচেতনতা তৈরির জন্য পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় এবং পরিবেশ অধিদপ্তর নানা কর্মসূচি পালন করছে। তিনি আরো বলেন, হাইড্রোলিক হর্ন না বাজানোর জন্য আইন আছে। কিন্তু অনেকে ব্যক্তিগত গাড়িতে এই হর্ন বাজাচ্ছেন। তবে আমাদের হতাশ হলে চলবে না। এ অবস্থার পরিবর্তন হবে।

অনুষ্ঠানে পরিবেশ ও বন উপমন্ত্রী আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব বলেন, শব্দদূষণের বিষয়ে জনসচেতনতা তৈরি করতে ইতিমধ্যে যেসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে সেগুলোর সুফল মিলতে শুরু করেছে। সমাজের সবাই মিলে এ নীরব ঘাতকের বিরুদ্ধে সচেতন হতে হবে।

পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক রইস উল আলম মণ্ডল বলেন, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকাকে সাইলেন্ট জোন হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে শব্দদূষণ রোধ করা হবে। ইতোমধ্যে পরিবশ অধিদপ্তর এ কার্যক্রম শুরু করেছে।

এর আগে পরিবেশ ও বন মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু ধানমন্ডি বয়েজ স্কুলের আশপাশের এলাকাকে সাইলেন্ট জোন হিসেবে ঘোষণা করেন। সেখানে তিনি এ সংক্রান্ত একটি ফলক উম্মোচন করেন। এখন থেকে ওই স্কুলের একশ মিটারের মধ্যে হর্ন বাজানো নিষিদ্ধ। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, রাজধানীর বিভিন্ন এলকায় এ ধরনের আরো সাইলেন্ট জোন তৈরি করা হবে।

ইত্তেফাক/নূহু