ভারতের নয়াদিল্লি ও কলকাতা বাংলাদেশের ডেপুটি হাই কমিশনার পদে রদ-বদল করা হয়েছে। নয়াদিল্লিতে ডেপুটি হাইকমিশনার সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরীকে চীনের বেইজিং মিশনে উপ-রাষ্ট্রদূত পদে এবং কলকাতায় ডেপুটি হাইকমিশনার জকি আহাদকে চীনের কুনমিংয়ে কনসাল জেনারেল পদে বদলি করা হয়েছে।
অন্যদিকে কলকাতায় নতুন ডেপুটি হাইকমিশনার হয়েছেন তৌফিক হাসান। তিনি এখন ওয়াশিংটন ডিসির বাংলাদেশ দূতাবাসে মিনিস্টার পলিটিক্যাল পদে দায়িত্বরত রয়েছেন। আর দিল্লিতে নতুন ডেপুটি হাই কমিশনার হচ্ছেন নিউ ইয়র্কে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের মিনিস্টার এটিএম রকিবুল হক। চীনের কুনমিংয়ে বর্তমান কনসাল জেনারেল দাউদ আলীকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হয়েছে।
দৈনিক ইত্তেফাকের কলকাতা প্রতিনিধি তারিক হাসান জানিয়েছেন, আগামী জুনে তৌফিক হাসান কলকাতা মিশনের দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। ততদিন পর্যন্ত জকি আহাদই এই পদে কাজ চালিয়ে যাবেন। তিনি ২০১৪ সালের নভেম্বর মাসে আবিদা ইসলামের জায়গায় কলকাতায় দায়িত্ব পেয়ে আসেন। ইতিমধ্যেই কলকাতায় জকি আহাদের কার্যমেয়াদ আড়াই বছর হয়েছে। মমতা ব্যানার্জির সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক আরও উন্নত করার লক্ষ্য নিয়ে জকি আহাদকে কলকাতা মিশনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।
বিশেষ করে তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তির বিষয়ে বরফ গলানোর মতো গুরু দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। কিন্তু মমতার সঙ্গে সম্পর্ক উন্নত হলেও তিস্তার পানি বণ্টন প্রসঙ্গে বিশেষ অগ্রগতি হয়নি। তাঁর সাম্প্রতিক কিছু কাজে সরকার অসন্তুষ্ট হয়। যে কারণে এই বদলি। পশ্চিমবঙ্গের টেলিগ্রাফ পত্রিকার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জকি আহাদের বিরুদ্ধে কয়েকটি অভিযোগ ওঠার পর তাকে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশের বিরোধীদলের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সঙ্গে যোগাযোগ, দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতা ও অবহেলার কারণে তাকে বদলি করা হয়।
ইত্তেফাক/সাব্বির
