সন্তোষজনক রাজস্ব আদায়ে ব্যর্থ হলে অর্থ বরাদ্দ নয় : এলজিআরডি মন্ত্রী

আপডেট : ০৯ মে ২০১৭, ১৯:৪৪
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, সন্তোষজনক রাজস্ব আদায়ে ব্যর্থ হলে অর্থ বরাদ্দ নয়। সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভাসমূহকে নিজস্ব আয় বাড়ানোর উপর বিশেষ জোর দিতে হবে এবং উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের জন্য সরকারি অর্থ বরাদ্দের দিকে তাকিয়ে থাকলে চলবে। 
 
মঙ্গলবার সচিবালয় স্থানীয় সরকার বিভাগের সম্মেলন কক্ষে যানবাহন ও যন্ত্রপাতি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ সব কথা বলেন। 
 
স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব আবদুল মালেক-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আনিসুল হক, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী শ্যামা প্রসাদ অধিকারী, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন ও নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট পৌরসভার মেয়রগণ।
 
বেলারুশ হতে ক্রয়কৃত ভারী যানবাহন ও যন্ত্রপাতি ৩টি সিটি কর্পোরেশন ও ১১টি পৌরসভার মেয়রগণের কাছে হস্তান্তর করা হয়। প্রাথমিকভাবে আজ ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে ৩৫টি, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে ৩৫টি ও নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনে ২৩টি এবং ময়মনসিংহ পৌরসভায় ৭টি, ফরিদপুর ৭টি, সাভার ৪টি, নরসিংদী ৪টি, ঘোড়াশাল ৪টি, গোপালগঞ্জ ৪টি, টুঙ্গিপাড়া ৪টি, কোটালীপাড়া ৪টি, পটুয়াখালী ৭টি, বাউফল ৪টি ও ভেদরগঞ্জ পৌরসভায় ১টিসহ মোট ১৪৩টি যন্ত্রপাতি বিতরণ করা হয়। অতি শিগগিরই দেশের বাকি সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভায় এসকল যন্ত্রপাতি বিতরণ করা হবে বলে হস্তান্তর সভায় জানানো হয়।
 
খন্দকার মোশাররফ হোসেন আরো বলেন, নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধির জন্য সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভাসমূহকে স্বয়ং-সম্পূর্ণ করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে ইতোমধ্যে এ প্রতিষ্ঠানসমূহের সেবার মান বৃদ্ধি পেয়েছে।
 
মন্ত্রী বলেন, ইতোপূর্বে সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভাসমূহকে বড় পরিসরে যানবাহন ও যন্ত্রপাতি সুবিধা দেয়া সম্ভবপর হয়নি। এ যানবাহন ও যন্ত্রপাতি ব্যবহারের মাধ্যমে সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভাসমূহ পরিছন্ন ও টেকসই নগরী গড়ে তুলতে সক্ষম হবে। তিনি এ সকল যন্ত্রপাতি ও যানবাহন যত্ম সহকারে যথাযথভাবে ব্যবহার করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।
 
মন্ত্রী বলেন, বেলারুশ আমাদের পরীক্ষিত বন্ধু। স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ও স্বাধীনতা অর্জন পরবর্তী সময়ে স্বীকৃতি অর্জনে সবসময় অকৃত্রিমভাবে কাজ করেছে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বেলারুশ সফরে গিয়েছিলেন, তার কন্যা ২০১৩ সালে বেলারুশ সফরে গিয়ে সহজ শর্তে দ্রব্য ঋণ চুক্তি করেছিলেন।
 
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আনিসুল হক বলেন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বর্তমানে সকলের জন্য একটি যুদ্ধ। পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্য-সম্মত নগরী গড়ে তুলতে এ যন্ত্রপাতিসমূহ বিশেষভাবে সহায়ক হবে।বাসস
 
 
ইত্তেফাক/ইউবি