ঝিনাইগাতী-গুরুচরণ দুধনই ১০ কিলোমিটার রাস্তা নির্মাণে ২০ হাজার মানুষের কষ্টের অবসান হয়েছে। দেশ স্বাধীনের পর থেকেই ওই রাস্তাটি নির্মাণের দাবী উঠে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে। বিভিন্ন সময় আশ্বাসও পাওয়া যায়। কিন্তু তা বাস্তবায়িত হয়নি।
এ রাস্তা দিয়ে কাংশা, ধানশাইল ও নলকুড়া ইউনিয়নের কৃষকসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার ২০ হাজার মানুষের যাতায়াত। রাস্তাটি নির্মিত না হওয়ায় দীর্ঘ ৪৫ বছর যাবত পথচারীদের চরম দূর্ভোগ পোহাতে হয়। কৃষকদের উৎপাদিত কৃষিপণ্য সঠিক সময়ে বাজারজাত করতে না পারায় ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হয় কৃষকরা।
বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর এলাকাবাসীর দাবীর পরিপ্রেক্ষিতে সংসদ সদস্য একেএম ফজলুল হক রাস্তাটির নির্মাণ কাজ হাতে নেন। এলজিইডি’র প্রায় ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে ঠিকাদার নিয়োগের মাধ্যমে ২০১৫ সালে রাস্তাটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়।
শেরপুরের ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান আকরাম এন্টার প্রাইজের স্বত্বাধিকারী আকরাম হোসেন কাজটি পায়। ইতিমধ্যেই নির্মাণ কাজের ৭৫ ভাগ সম্পন্ন হয়েছে। দ্রুত এগিয়ে চলছে নির্মাণ কাজ।
সংসদ সদস্য একেএম ফজলুল হক বলেন, চলতি বছরের জুনের পূর্বেই নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করা হবে। এ রাস্তায় চলতে শুরু করেছে যানবাহন। যানবাহনে চলাচল করতে পেরে এসব এলাকার কৃষকরা এখন খুশিতে আত্মহারা। রাস্তাটি নির্মিত হওয়ায় এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের কষ্টের অবসান হলো।
ইত্তেফাক/আনিসুর
