রপ্তানি পণ্য বৈচিত্র্যকরণে নতুন মাত্রা যোগ করবে নির্মাণ খাত : শিল্পমন্ত্রী

আপডেট : ১১ মে ২০১৭, ১৯:১৬
পদ্মা বহুমুখী সেতু, পায়রা গভীর সমুদ্রবন্দর, এলিভেটেড এক্সপ্রেস হাইওয়ে, নতুন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং মেট্রোরেল প্রকল্পের মত মেগা প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে পথে থাকায় দেশে নির্মাণ শিল্পখাত বিকাশে অপার সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু। 
 
তিনি বলেন, এ সুযোগ কাজে লাগাতে দেশেই আন্তর্জাতিক মানের নির্মাণ উপকরণ, যন্ত্রপাতি ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন করতে হবে। এর ফলে নির্মাণ সামগ্রীর অভ্যন্তরীণ চাহিদা মিটিয়ে রপ্তানির মাধ্যমে মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের পথ প্রশস্ত হবে। এ শিল্পখাতের প্রসার রপ্তানি পণ্য বৈচিত্রকরণের ক্ষেত্রে নতুন মাত্রা যোগ করবে।
 
বৃহস্পতিবার নিরাপদ নির্মাণ, বিদ্যুৎ ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি বিষয়ক তিন দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী ‘সেইফকন-২০১৭’এর উদ্বোধন করে তিনি এ কথা বলেন।
 
স্যাভর ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের উদ্যোগে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে আইইবির সাবেক প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ড. এম. শামীম জেড. বসুনিয়া, টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. হেলাল উদ্দিন, ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেডের (ইডকল) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদ মালিক, স্যাভর ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফায়েজুল আলম বিদ্যুৎ বক্তব্য রাখেন।
 
শিল্পমন্ত্রী বলেন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য বা এসডিজি অর্জনে বর্তমান সরকার জ্বালানি নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। ইতোমধ্যে গ্যাস সেক্টরে নতুন কূপ খননসহ ব্যাপক উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়েছে। ফলে দেশে গ্যাস উত্তোলনের পরিমাণ বেড়ে চলেছে। ২০০৯ সালের জানুয়ারি মাসে দৈনিক গ্যাস উত্তোলনের পরিমাণ ছিল ১,৭৪৪ মিলিয়ন ঘনফুট। বর্তমানে তা ২,৭৪০ মিলিয়ন ঘনফুটে উন্নীত হয়েছে।
 
আমির হোসেন আমু বলেন, বিদ্যুৎ উৎপাদনে একক জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমাতে জ্বালানি বহুমুখীকরণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। কয়লা, গ্যাস, তরল জ্বালানি, নবায়নযোগ্য শক্তি, নিউক্লিয়ার শক্তি ইত্যাদি জ্বালানি নির্ভর বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে। বাসস
 
ইত্তেফাক/ইউবি