নারী-শিশু নির্যাতনের মামলা ৬ মাসে নিষ্পত্তি না হলে মনিটরিং সেলের নির্দেশ

আপডেট : ১২ মে ২০১৭, ১৯:২৭
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলা ছয় মাসের মধ্যে নিষ্পত্তির বিধান রয়েছে। তবে এ সময়ের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তি না হলে, কেন হয়নি তার কারণ উল্লেখ করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারককে এক মাসের মধ্যে একটি প্রতিবেদন সুপ্রিম কোর্টে প্রেরণের বিধান রয়েছে। একইসঙ্গে মামলার পাবলিক প্রসিকিউটর ও তদন্তকারী কর্মকর্তাকেও অনুরূপ প্রতিবেদন সরকারের নিকট দাখিলের নির্দেশনাও রয়েছে। কিন্তু বিচারক, পিপি ও তদন্তকারী কর্মকতা কেউই এই বিধান যথাযথভাবে পালন করছে না। এই বিধানটি যথাযথভাবে পালনের লক্ষ্যে একটি মনিটরিং সেল গঠনের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলকে এই সেল গঠন করতে বলা হয়েছে। গঠিত ওই সেলের প্রধান হিসাবে রেজিস্ট্রার জেনারেল নিজে অথবা তিনি না থাকলে হাইকোর্টের রেজিস্ট্রারকে ওই সেলের প্রধান করতে বলা হয়েছে। এছাড়া মনিটরিং সেলে আইন ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব অথবা তাদের দু’জন প্রতিনিধি রাখতে বলা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের ওই দু’জন প্রতিনিধি অতিরিক্ত সচিব মর্যাদার নিচে হবে না বলেও রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে। 
 
বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি জেবিএম হাসানের ডিভিশন বেঞ্চ মনিটরিং সেল গঠনের নির্দেশনা দিয়ে এই রায় দেন। বৃহস্পতিবার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়েছে। 
 
রায়ে বলা হয়েছে, ওই মনিটরিং সেল ছয় মাসের মধ্যে নিষ্পত্তি না হওয়া নারী ও শিশু নির্যাতন আইনের মামলার বিষয়ে বিচারক, পাবলিক প্রসিকিউটর ও তদন্তকারী কর্মকর্তার পাঠানো প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে অধস্তন আদালত সংক্রান্ত সুপ্রিম কোর্টের কমিটির কাছে সময়ে সময়ে প্রতিবেদন দাখিল করবেন। মনিটরিং কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সুপ্রিম কোর্টের ওই কমিটি নারী ও শিশু নির্যাতন আইনের মামলা নিষ্পত্তি না হওয়ার জন্য দায়ী ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেবেন বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে।
 
ইত্তেফাক/এমআই