খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেছেন, 'আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়ন থামিয়ে দেয়ার জন্য দেশে জঙ্গি সৃষ্টি করা হয়েছে। আমরা দুইবার দেশে আগুন সন্ত্রাস দেখেছি, তারপরেও আমরা উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। আমাদের কাজ দৃশ্যমান এখানে কোন ভেলকিবাজি নেই। বাংলাদেশ থেকে অর্থ ফিরিয়ে নেয়ার পরেও প্রধানমন্ত্রীর প্রচেষ্ঠায় আমরা নিজ অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণের কাজ করে যাচ্ছি।'
রবিবার সকালে বরিশাল সার্কিট হাউজের সভাকক্ষে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় ও বরিশাল বিভাগীয় প্রশাসনের আয়োজনে 'নিরাপদ খাদ্য আইন ২০১৩ বাস্তবায়ন জনসচেতনতা' শীর্ষক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম।
বিভাগীয় কমিশনার মো. শহিদুজ্জামানের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন- খাদ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মো. আব্দুল ওয়াদুদ দারা এমপি, অ্যাডভোকেট তালুকদার মো. ইউনুস এমপি, জেবুন্নেছা আফরোজ এমপি, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মাহফুজুল হক, জেলা প্রশাসক ড. গাজী মো. সাইফুজ্জামান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ সদস্য মো. আব্দুল বাতেন মিঞা।
কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে খাদ্যমন্ত্রী জেলা প্রশাসকের দফতরে খাদ্য শস্য সংগ্রহ বিষয়ে খাদ্য বিভাগীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। জেলা প্রশাসক ড. গাজী মো. সাইফুজ্জামানের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেন, 'দেশে কোন খাদ্য ঘাটতি নেই। হাওর অঞ্চলকে পুঁজি করে এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী ও মিল মালিকরা ব্যবসার ফাঁদ পেতে সরকারকে বিব্রত করার কাজে লিপ্ত ছিলো। তাদের সে আশা পূরণ হয়নি। দেশে পর্যাপ্ত খাদ্য মজুদ রয়েছে।'
মতবিনিময় সভায় বরিশাল আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক আমজাদ হোসেনসহ বিভাগীয় খাদ্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এরপূর্বে সকাল নয়টায় নগরীর অশ্বিনী কুমার টাউন হল চত্বর থেকে বিভাগীয় কমিশনার মো. শহিদুজ্জামানের নেতৃত্বে এক র্যালী বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে সার্কিট হাউজে গিয়ে শেষ হয়।
ইত্তেফাক/জামান
