ইত্তেফাকে সংবাদ প্রকাশের পর ঘর পেলেন কটিয়াদীর মল্লিকা বেগম

আপডেট : ১৪ মে ২০১৭, ২৩:৫৬

গত ১১ এপ্রিল দৈনিক ইত্তেফাকের ১৩ পৃষ্ঠার ‘কটিয়াদীর মল্লিকা বেগমের আকুতি’ শিরোনামে একটি সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

ওই প্রতিবেদনে ঝড়ে তার কুঁড়েঘর বিধ্বস্ত হয়ে অন্যের বাড়ির বারান্দায় দিনাতিপাত করার কথা উল্লেখ করা হয়। এ প্রতিবেদন প্রকাশের পর অবশেষে গত শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে মল্লিকা বেগমের (৭৫) জন্য নির্মাণ করা নতুন ঘরটি হস্তান্তর করা হয়। সংবাদ প্রকাশের পর পার্শ্ববর্তী গ্রামের বানিয়াগ্রামের রাজীব কুমার সরকার পলাশ উপজেলার আচমিতা ইউনিয়নের পাইকশা গ্রামের মল্লিকা বেগমের একটি নতুন ঘর নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেন। তিনি ফেসবুকে পত্রিকার কাটিংসহ মল্লিকা বেগমের ঘর নির্মাণের সহযোগিতার জন্য আর্থিক সাহায্যের আবেদন জানান। এতে প্রায় ৩৮ হাজার টাকা সংগ্রহ হয়। অবশেষে গত শনিবার নির্মিত ঘরটি মল্লিকা বেগমের নিকট হস্তান্তর করা হয়।

এ সময় বাড়ির আঙ্গিনায় রাজীব সরকার পলাশের সভাপতিত্বে এক সুধী সমাবেশে বক্তব্য রাখেন মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান, তারেক হাসনাত, সাইদুর রহমান সবুজ, গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপক খুরশেদ আলম ও শহীদুজ্জামান শহীদ।

এছাড়া স্বপ্ন সামাজিক সংগঠনের শতাধিক ছাত্র-ছাত্রী উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত ২৫ মার্চ ঝড়ে উপজেলার পাইকশা গ্রামের মল্লিকা বেগমের কুঁড়েঘরটি বিধ্বস্ত হয়। এরপর তিনি অন্যের বাড়ির বারান্দা বা খোলা আকাশের নিচে অনাহারে-অর্ধাহারে দিনাতিপাত করছিলেন।

পরে তরুণ উদ্যোক্তা রাজীব কুমার সরকার পলাশ তার ঘর নির্মাণের দায়িত্ব নেন। এ ব্যাপারে তিনি বলেন, এ কাজটি করতে পেরে আমি আত্মতৃপ্তি পেয়েছি। এদিকে মল্লিকা বেগম ঘর পেয়ে খুব খুশি বলে স্থানীয়রা জানান।

ইত্তেফাক/নূহু