অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য ও বৈষম্যমূলক শুল্কনীতির প্রতিবাদে এনবিআরের সামনে বিড়ি শ্রমিকরা মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে। ২১ মে সকাল নয়টায় এই মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এ সময়ে প্রায় কয়েক হাজার বিড়ি শ্রমিক মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশে অংশ নেন।
এতে বক্তব্য রাখেন বিড়ি শ্রমিক ফেডারেশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আমিন উদ্দিন বিএসসি, যুগ্ম আহবায়ক আব্দুর রহমান, বরিশাল বিড়ি শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি লোকমান হোসেন ও পাবনা জেলা শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি হারিক হোসেন।
বক্তারা বলেন, বৈষম্যমূলক শুল্কনীতির ফলে গত কয়েক বছরে লাখ লাখ শ্রমিক বেকার হয়ে পড়েছে। বন্ধ হয়েছে শতাধিক কারখানা। বেকার হওয়া এসব শ্রমিকের বেশির ভাগই নদী ভাঙন এলাকার হত দরিদ্র মানুষ। স্বামী পরিত্যক্ত মহিলা। এদের বিকল্প কর্মসংস্থানের কোনো ব্যবস্থা না করে প্রতি বছর বাজেটে বিড়ির ওপর শুল্ক বাড়িয়ে দেয়া হচ্ছে। ফলে মালিকরা চালাতে না পেরে কারখানা বন্ধ করে দিচ্ছে। বেকার হচ্ছে আরো শ্রমিক। কিন্তু বাজেটে সিগারেটের ওপর নাম মাত্র শুল্ক বসানো হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে অর্থমন্ত্রী বলেছেন,দুই বছরের মধ্যে বিড়ির কোনো অস্তিত্ব রাখা হবে না। এই কথার মাধ্যমে তিনি সিগারেটের পক্ষ নিয়েছে। তিনি তামাক বন্ধের কথা না বলে বিড়ি বন্ধের কথা বলে ২৫ লাখ শ্রমিকের ভাগ্য অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলে দিয়েছেন। আমরা তার এই কথা তীব্র প্রতিবাদ জানাই। সেই সঙ্গে বৈষম্যমূলক কর নীতির নিন্দা জানাই। বক্তারা বাজেটে বিড়ির ওপর অতিরিক্ত শুল্ক না বসানো আহবান জানান।
ইত্তেফাক/এএম।
