কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদের ১৪নং ওয়ার্ডের স্থগিত করা নির্বাচন মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হবে। এ কারণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে নেয়া হয়েছে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
গত বছরের ২৮ ডিসেম্বর জেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে ১৪নং ওয়ার্ডে প্রার্থী ছিলেন ৬জন। এর মধ্যে জাইদুল ইসলাম মিনু নামের প্রার্থীর খাদ্যবান্ধব কর্মসূচীর ডিলারি লাইসেন্স থাকায় তার প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ আনেন আবিদ শাহরিয়ার জ্যাপলিন নামের আরেক প্রার্থী। অভিযোগের ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশন ১৪নং ওয়ার্ডের (রৌমারী উপজেলা) নির্বাচন স্থগিত ঘোষণা করেন। পরে জাইদুল ইসলাম মিনু ওই স্থগিতাদেশের বিরুদ্ধে মহামান্য হাইকোর্টে রিট করেন। মহামান্য হাইকোর্ট গত ১৮ মে স্থগিতাদেশের বিরুদ্ধে রায় দেন। ফলে ২৩ মে নির্বাচন গ্রহণের ব্যবস্থা নেন নির্বাচন কমিশন।
এদিকে ৬ প্রার্থীর মধ্যে ৪জনই আ’লীগের এবং অপর দু’জনের মধ্যে একজন বিএনপি’র ও একজন জাতীয় পার্টির (জেপি)। সোমবার বিকাল ৩টার সময় রৌমারী প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করেন স্থানীয় আ’লীগ। এতে আলহাজ্ব আব্দুল কাদেরকে সমর্থন দিয়ে বাকি ৩জনের প্রার্থিতা তুলে নেয়ার দলীয় সিদ্ধান্তের বিষয়টি সাংবাদিকদের জানানো হয়। তবে নজরুল ইসলাম ও আবিদ শাহরিয়ার জ্যাপলিন তাদের প্রার্থিতা তুলে নিলেও জাইদুল ইসলাম মিনু তা মানেন নি।
এ ব্যাপারে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেক এমপি জাকির হোসেন বলেন, দলীয় সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে যে যাবেন তাদেরকে ভোট যুদ্ধে প্রতিহত করা হবে। এরপর তার বিরুদ্ধে দলীয় সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, রৌমারী উপজেলা আ’লীগের সিনিয়র সহসভাপতি ও সদর ইউপি চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম শালু, সহসভাপতি জাহাঙ্গীর আলম রবু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম, আবিদ শাহ নেওয়াজ তুহিন, সাংগঠনিক সম্পাদক আবিদ শাহরিয়ার জ্যাপলিন, সদর ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি রাজু আহমেদ খোকা, বন্দবেড় ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুল কাদের, যাদুরচর ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন সবুজ প্রমুখ।
রৌমারী উপজেলা নির্বাচন কমিশনার আব্দুল কুদ্দস সরকার বলেন, জেলা পরিষদ নির্বাচনে রৌমারী উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের ৬৮জন ভোটার গোপন ব্যালটের মাধ্যমে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। রৌমারী মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভোট কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোট গ্রহন চলবে। সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পাশাপাশি বিজিবি সদস্যরা নিরাপত্তা টহলে থাকবেন।
ইত্তেফাক/সাব্বির
