বগুড়ায় জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে জোরপূর্বক ভোট নেয়া ও অনিয়মের অভিযোগে অপর দুই প্রার্থী ভোট বর্জন করেছেন। বৃহস্পতিবার বেলা ১২টায় ভোট বর্জনের ঘোষণা দিয়ে নতুন করে নির্বাচন দেয়ার দাবি জানান তারা।
২৮ ডিসেম্বর ২০১৬ চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন অনুষ্ঠানের কথা থাকলেও উচ্চ আদালতে মামলার কারণে স্থগিত হয়ে যায় নির্বাচন। আবারো ২৫ এপ্রিল ২০১৭ নির্বাচন কমিশন পক্ষ থেকে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হলে অপর একটি মামলার কারণে ফের স্থগিত হয়ে যায়। পরে নির্বাচন কমিশন বৃহস্পতিবার ২৫মে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেন।
বৃহস্পতিবার বগুড়ার জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচনের ভোট গ্রহণ চলাকালে সকাল ৯টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণের সময় নির্ধারণ ছিল। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ডা. মকবুল হোসেন (আনারস), স্বতন্ত্র প্রার্থী সোলাইমান আলী (মোটরসাইকেল) ও জেপি প্রার্থী আমিনুল ইসলাম পিন্টু (ঘোড়া)। মোট ১৬০২জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।
স্বতন্ত্র প্রার্থী সোলাইমান আলী ও জেপি প্রার্থী আমিনুল ইসলাম পিন্টু জানান, প্রায় কেন্দ্রেই আওয়ামী লীগ প্রার্থীর পক্ষে প্রভাব বিস্তার করে জোর পূর্বক ভোট নেয়া হয়। এছাড়াও বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে আমাদের কর্মীদের বের করে দেয়া হয়েছে। এসব বিষয় জানিয়ে ফোনে বগুড়া জেলা প্রশাসক, নির্বাচন কর্মকর্তা, ঢাকা নির্বাচন সচিবালয় ও গোয়েন্দা সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। আওয়ামী লীগ প্রার্থীর পক্ষে জোর পূর্বক ভোট নেয়ার কারণে দুপুর ১২টার পর আমরা ভোট বর্জন করেছি। পাশাপাশি নতুন করে সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবি জানাচ্ছি।
বগুড়া জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা দেওয়ান মোহাম্মদ সারোয়ার জাহান জানান, আমাদের কাছে কোনো অভিযোগ আসেনি। নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ইত্তেফাক/জামান
