আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, আইন-বিধি-নীতিমালার পাশাপাশি জনগণকে তামাক দ্রব্য ও মাদকদ্রব্যের বিরুদ্ধে সচেতন হতে হবে। তিনি প্রকাশ্য স্থানে কেউ ধুমপান করলে বাধা দেয়ার জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধন করেছে, বিধি ও নীতিমালা করেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০৪০ সালের মধ্যে তামাকমুক্ত বাংলাদেশ অর্জনে লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন। সে লক্ষ্য অর্জনে সরকার বদ্ধপরিকর।
আজ শনিবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস-২০১৭ এবং তামাক নিয়ন্ত্রণ সাংবাদিকতা পুরস্কার প্রদান উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী মামলা থানা না নিলে প্রয়োজনে আদালতে মামলা করার সুযোগ রয়েছে। থানা যেন সংক্ষুদ্ধের মামলা আমলে নেয় এ বিষয়ে তিনি ব্যবস্থা নিবেন। তিনি বলেন, বাজেটে তামাকপণ্যে বর্ধিতহারে করারোপ করে এ বিষয়ে তিনি সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করবেন।
অনুষ্ঠান শেষে আইনমন্ত্রী সুপ্রিমকোর্ট প্রাঙ্গণ থেকে ভাস্কর্য সরানো প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘আমি মনে করি এর মধ্য দিয়ে ইসলামসহ অন্যান্য ধর্মকে সম্মান করা হয়েছে।’ বাসস।
ইত্তেফাক/এমআই
