খুলনায় বিএনপি নেতা মিঠু হত্যার ঘটনায় মামলা

আপডেট : ২৭ মে ২০১৭, ১৮:০৫
খুলনা জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও ফুলতলা উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান সরদার আলাউদ্দিন মিঠু ও তার দেহরক্ষী নওশের গাজী হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে মাঠে নেমেছে পুলিশের চার বিভাগ। 
 
ঘটনা তদন্তে স্থানীয় বিবদমান একটি পরিবারের সঙ্গে বংশ পরম্পরায় চলে আসা বিরোধের পাশাপাশি আরো পাঁচটি কারণ বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। 
 
মিঠুসহ জোড়া হত্যায় আটক সন্দেহভাজন দুইজনকে শনিবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধারকৃত আলামত তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে কিলার এবং মাস্টারমাইন্ডকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে। 
 
চাঞ্চল্যকর এ জোড়া হত্যাকান্ডের ঘটনায় শনিবার দুপুরে নিহত সরদার আলাউদ্দিন মিঠুর ছোটভাই সরদার রাজ অজ্ঞাতনামা ৮-১০জনকে আসামি করে ফুলতলায় থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। 
 
এদিকে, মিঠু হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে জেলা ও মহানগর বিএনপি শনিবার খুলনায় আধাবেলা হরতাল এবং প্রতিবাদ সমাবেশ পালন করেছে। 
 
পুলিশ সূত্র জানায়, ফুলতলা থানা পুলিশ, জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) এবং পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) সদস্যরা হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে মাঠে রয়েছেন। তারা ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধারকৃত বিভিন্ন আলামত পরীক্ষা-নিরীক্ষা, প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য বিশ্লেষণ এবং জোড়া হত্যা সংগঠনের ধরন পর্যবেক্ষণ করছে। বিশেষ করে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমেও কিলার এবং মাস্টারমাইন্ডকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
 
ফুলতলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) হাওলাদার সানওয়ার হোসাইন মাসুম বলেন, জোড়া হত্যায় আটক ইমরুল শেখ এবং রকিবুল ইসলাম রাকিবকে শনিবার ৫৪ ধারায় আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ইমরুল শেখ ফুলতলা উপজেলার দামোদর গ্রামের খোরশেদ আলমের ছেলে এবং রকিবুল ইসলাম রাকিব উপজেলার আলকা গ্রামের মাহাবুব খোন্দকারের ছেলে। তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডসহ একাধিক মামলা রয়েছে।
 
নিহত মিঠুর ভাই এসএম সেলিম সরদার জানান, জোড়া হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে তার ছোট ভাই সরদার রাজ শনিবার দুপুরে ফুলতলা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।  মামলায় অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
 
ইত্তেফাক/ইউবি