লোহাগড়া বাজার সংলগ্ন ব্যক্তিমালিকানাধীন একটি পুকুর স্থানীয় প্রশাসন ইজারা দেয়ার পর থেকেই জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। পুকুরটি ইজারা দেয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বর্তমান ইজারাদার ওই পুকুর থেকে পূর্ববর্তী ইজারাদারের চাষ করা মাছ ধরছে ও বিক্রি করেছে। এমনকি বর্তমান ইজারাদার পুকুর পাড়ে অবৈধভাবে বেড়া দিয়ে দোকানঘর নির্মাণের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, লোহাগড়া বাজার সংলগ্ন জয়পুর মৌজার সাড়ে তিন একর জমিতে পুকুর। ওই জমির মালিক স্থানীয় মোঃ আকরাম হোসেন গং। পুকুর সংলগ্ন লোহাগড়া মৌজার পাঁচ একর ১৪ শতক জমি সরকারি খাস জমি। ওই পুকুরের মধ্যে দেড় একর জমি সরকারি/খাস এমন দাবি স্থানীয় প্রশাসনের থাকলেও স্থানীয়দের দাবি সরকারি বা খাস জমি পুকুরের উপরে অবস্থিত। অর্থাত্ পুকুরটি সম্পূর্ণ ব্যক্তিমালিকানাধীন জমিতে। এ নিয়ে বিরোধ থাকায় ভূমি অফিসসহ দেওয়ানি আদালতে মামলা চলছে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ: আদালতে মামলা চললেও স্থানীয় প্রশাসন বিশেষ সুবিধা নিয়ে ইচ্ছেমতো লাল নিশান টানানোর মাধ্যমে সম্পূর্ণ পুকুরের ইজারা ও দখল বুঝিয়ে দিয়েছে বর্তমান ইজারাদারকে। বর্তমান ইজারাদার পুকুরে আগের ইজারাদারের চাষ করা মাছ ধরছে। পুকুরের মধ্যকার ওই জমির দাবিদার মালিক আকরাম হোসেন ভূইয়া গত ১৪ মে পুকুরে সকল প্রকার কার্যক্রম স্থগিতের জন্য জেলা ও উপজেলার সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আবেদন করেছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো ফল পাননি তিনি।
ইত্তেফাক/নূহু
