যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে বাংলাদেশি কূটনীতিক মো. শাহেদুল ইসলামকে গ্রেফতারের বিষয়টিকে আন্তর্জাতিক চুক্তির লঙ্ঘন বলে অভিহিত করা হচ্ছে। বুধবার এ বিষয়ে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, শ্রমিক পাচার এবং গৃহকর্মীকে নির্যাতন ও ভয় দেখিয়ে বেতন ছাড়াই কাজ করানোর অভিযোগে নিউইয়র্কে বাংলাদেশের উপ-কনসালকে আটক করে কূটনীতিক শিষ্টাচার ভঙ্গ করেছে তারা।
ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা- রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ‘এই গ্রেফতারের ঘটনাটিকে ১৯৬৩ সালের ‘কনস্যুলার রিলেশন’ ও ‘ভিয়েনা কনভেনশনের’ স্পষ্টত লঙ্ঘন হিসেবে দেখছে বাংলাদেশ। এ ব্যাপারে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসে তীব্র প্রতিবাদ লিপি পেশ করা হয়েছে বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এছাড়া এ ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক ক্ষমা চাওয়ার জন্য দেশটির রাষ্ট্রদূতকে তলব করা হয়েছে।
তবে এরমধ্যে নিউইয়র্কের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন শাহেদুল ইসলাম। নিউইয়র্ক সময় ১৩ জুন মঙ্গলবার দিনভর প্রয়াসের পর রাত সাড়ে আটটার দিকে তিনি কারাগার থেকে বেরিয়ে আসেন। গত সোমবার সকালে পুলিশ তাঁর বাসা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করেছিল। গ্রেপ্তারের কয়েক ঘণ্টা পর তাঁকে কুইন্সের আদালতে হাজির করা হয় এবং সেখান থেকে সরাসরি ব্রঙ্কসের একটি কারাগারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। রয়টার্স।
ইত্তেফাক/সেতু
