কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী বলেছেন, বাজেটে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নত গণতন্ত্রের প্রতিফলন ঘটেছে। বর্তমান সরকারের গত ৯ বছরে বাজেটের আকার কয়েক গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এ সময়ে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির আকার বেড়েছে সাড়ে ৩ গুণেরও বেশি। পাশাপাশি ধারাবাহিকভাবে সরকার সাফল্যের সঙ্গে বাজেট বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশকে উন্নয়নের কাঙ্খিত জায়গায় নিয়ে যেতে সম্ভব হয়েছে। এ বাজেটও সফলভাবে বাস্তবায়িত হবে।
বৃহস্পতিবার সংসদে ২০১৭-১৮ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ সব কথা বলেন।
স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বেলা ১১টা ৩ মিনিটে অধিবেশনের শুরুতে মন্ত্রীদের জন্য প্রশ্ন-জিজ্ঞাসা-উত্তর টেবিলে উপস্থাপন শেষে ২০১৭-১৮ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর আলোচনা শুরু হয়।
গত ১ জুন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ২০১৭-১৮ অর্থবছরের জন্য ৪ লাখ ২৬৬ কোটি টাকার বাজেট পেশ করেন।
আলোচনায় অংশ নিয়ে কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী বলেন, গত নির্বাচনে অংশ না নিয়ে বিএনপি দেশে ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে। তারা ধ্বংসযজ্ঞ না চালালে প্রবৃদ্ধি অনেক আগেই ৭ এর ঘরে পৌঁছাতো। এরপরও বর্তমান সরকারের সময় দেশ উচ্চতর প্রবৃদ্ধি অর্জনে সক্ষম হয়েছে এবং বিগত ৯ বছরে বাংলাদেশ উন্নয়নের মহাসড়কে উপনীত হয়েছে। এই সরকারের সময়ই ডাবল ডিজিটে প্রবৃদ্ধি অর্জন সম্ভব হবে। তবে এরজন্য প্রয়োজন দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এই গতিতে যদি দেশ চলে তাহলে ২০৪১ সালের অনেক আগেই বাংলাদেশ বিশ্বে একটি উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ হবে। বাসস
ইত্তেফাক/ইউবি
