বন্ধুনীড় সংগঠনটি একই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া চৌদ্দ তরুনের সংগঠন, যারা কাজ করে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন হিসেবে। এবারের ঈদের জন্য সংগঠনটির আয়োজন ছিলো ‘পঞ্চাশ পরিবারকে ঈদের কাপড় দেয়া’।
মূলত ফেসবুক ইভেন্ট পেজ থেকে সংগৃহীত অর্থ আর চৌদ্দবন্ধুর জমানো অর্থের টাকায় তাদের প্রত্যাশিত অর্থ উঠে মাত্র আটদিনের প্রচারণায়। গত ১৭ ও ১৮ জুন বন্ধুনীড়ের সদস্যবৃন্দ তিনটি উপদলে বিভক্ত হয়ে কাপড় বিতরণ করেন ঢাকার পৃথক তিনটি এলাকায়।
মৌচাক, মান্ডা এবং সায়দাবাদের পঞ্চাশটি দরিদ্র পরিবারের মধ্যে ঈদের আনন্দ ভাগ করে নেয় সংগঠনটি। সংগঠন সভাপতি মনিরুল ইসলাম ও প্রধান সমন্বয়ক বেনজির আবরারের নেতৃত্বে তারা ঈদের উপহার পৌঁছে দেন প্রতিবন্ধী, অসহায় ব্যাক্তি ও পরিবার, প্রতিবন্ধী পরিবার, হিজড়া জনগোষ্টীর হাতে।
বড় এই আয়োজনকে ঘিড়ে সদস্যদের ছিলো ব্যাপক প্রস্তুতি। তবে সংগঠনটির পিআর সূত্রে জানা গেছে, সকল পরিবার চিহ্নিতকরণ এবং কাপড় পৌঁছে দেয়ার কাজটি আনন্দের সংগেই সম্পন্ন করেছে বন্ধুনীড়ের সদস্যবৃন্দ।
সংগঠনটির নির্বাচিত প্রধান সমন্বয়ক বেনজির আবরার বলেন, ‘বন্ধুনীড় আমাদের প্রাণের সংগঠন। আমাদের বন্ধুনীড়ের মাধ্যমে প্রতিটি পরিবারের হাতে কাপঁড় পৌছে দিতে পেরে আমরা আনন্দিত।’
সংগঠনটির প্রথম ও বর্তমান সভাপতি মনিরুল ইসলাম বলেন, "আলাদা একটি পরিতৃপ্তি পেয়েছি গত দুদিন। নিয়মিত মানবসেবী কাজের মধ্যেই থাকার চিন্তাভাবনা রয়েছে আমাদের, সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ টিম বন্ধুনীড়ের পাশে থাকায়।"
এরপর ২০১৭-১৮ সেশনের নতুন কমিটি ঘোষনা হয়। যেখানে সভাপতি - মনিরুল ইসলাম, প্রধান সমন্বয়ক -বেনজির আবরার, সমন্বয়ক (অর্থ) -খায়রুল আলম পনির, সমন্বয়ক (গবেষণা) - আসিফ নেওয়াজ, ডিরেক্টর (পথশিশু) - হাসান মাহমুদ, ডিরেক্টর (রক্তদান) -রুমেল, ডিরেক্টর (বন্ধুত্ব) - অজয় ঘঠক, কানন মাহমুদুল, আল আমিন নিলয়। সদস্য হিসেবে নিলয় আহমেদ, সজিব হোসাইইন, রিতুল, ইভান, রিফাতের নাম ঘোষণা করা হয়।
ইত্তেফাক/এএম।
