এতোকাল যাবত সারাবিশ্বে ‘স্কার্ট’ বা এ ধরণের খাটো পোশাক কেবল নারীরাই পরে আসছিলো। তবে সম্প্রতি ব্রিটেন এবং ইউরোপের কিছু দেশে গরমে অতিষ্ঠ পুরুষ এবং ছেলেরা এখন স্কার্ট পরতে শুরু করেছেন। এছাড়া ফ্রান্সে বাস ড্রাইভাররা গরমে টিকতে না পেরে লং ট্রাউজার্স ছেড়ে স্কার্ট ধরেছেন।
শর্টস বা খাটো প্যান্ট পরার ওপর যেহেতু বিধিনিষেধ আছে, তাই ন্যান্টস এর সিএফডিটি সেমিটান ইউনিয়নের সদস্য বাস ড্রাইভাররা স্কার্ট পরে কাজে আসতে শুরু করেছেন। ড্রাইভারদের স্কার্ট পরে কাজে আসার ভিডিও সেখানে এক লক্ষ ষাট হাজার বার অনলাইনে দেখেছেন মানুষ।
IMG0
ইউনিয়নের একজন সদস্য গ্যাব্রিয়েল ম্যাগনের বলেন, যখন উইন্ডস্ক্রীনের পেছনে ৫০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় আপনাকে সারাদিন বসে থাকতে হচ্ছে, তখন এই কাজের পরিবেশ গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। তিনি বলেন, আমরা চাই কোম্পানি কিছু একটা করুক। যখন গরম এত বেড়ে যাচ্ছে তখন যেন আমরা শর্টস পরতে পারি, নিয়ম সেভাবে বদলানো হোক।
কয়েকদিন আগে ব্রিটেনের একটি স্কুলের ছাত্ররাও একই ভাবে স্কার্ট পরে ক্লাসে এসেছিল স্কুলের ইউনিফর্ম নীতির প্রতিবাদ জানাতে। বাকিংহামশায়ারের এক কল সেন্টারের এক কর্মীকে অবশ্য স্কার্ট পরে কাজে আসার পর বাড়িতে ফেরত পাঠানো হয়। কারণ তার পোশাক কোম্পানির ড্রেস কোডের পরিপন্থী ছিল। বিবিসি।
ইত্তেফাক/সেতু
