এল সালভাদোরের বিপক্ষে রোববার ৩-১ গোলের জয়ের মাধ্যমে কনকাকাফ গোল্ড কাপে উড়ন্ত সূচনা করেছেন বর্তমান চ্যাম্পিয়ন মেক্সিকো।
হেডগার্ডো মারিন, এলিয়াস হার্নান্দেজ ও ওরবেলিন পিনেডার গোলে তরুন মেক্সিকান দলটি অষ্টমবারের মত গোল্ড কাপের শিরোপা নিজেদের করে নিতে প্রথম ম্যাচে নিজেদের দারুনভাবে প্রমান করেছে। গত মাসে রাশিয়ায় কনফেডারেশন্স কাপের মিশন শেষে বিশ্রামের কারনে গোল্ড কাপে মেক্সিকান দলে বেশ কয়েকজন নিয়মিত খেলোয়াড় অনুপস্থিত রয়েছেন। তার উপর কনফেডারেশন্স কাপের শেষ ম্যাচে পর্তুগালের বিপক্ষে ম্যাচ অফিসিয়ালদের সাথে অশোভন আচরন করায় ছয় ম্যাচ নিষেধাজ্ঞায় রয়েছেন ম্যানেজার হুয়ান কার্লোস ওসোরিও। ফিফার এই শাস্তির কারনে ওসোরিওকে কুয়ালকম স্টেডিয়ামের হসপিটালিটি বক্স থেকেই দলের খেলা উপভোগ করতে হয়েছে। তার অনুপস্থিতিতে কলম্বিয়ান লুইস পোমপিলিও পায়েজ সাইডলাইন থেকে দল পরিচালনা করেছেন। অনভিজ্ঞ দলটি এল সালভাদোরের সাথে পরীক্ষায় বেশ ভালভাবেই উতরে গেছে। আট মিনিটে মারিনের হেডে মেক্সিকো এগিয়ে গেলেও নেলসন বোনিলা দুই মিনিট পরেই এল সালভাদোরকে সমতায় ফেরান। বিরতির আগে ২৯ মিনিটে শক্তিশালী শটে হার্নান্দেজ আবরো মেক্সিকোকে এগিয়ে দেন। বামদিক থেকে গালারডোর লফটেড ক্রসে হার্নান্দেজ এল সালভাদোরের গোলরক্ষক বেনজি ভিলালোবোসকে পরাস্ত করেন। ৫৫ মিনিটে বদলী খেলোয়াড় ওরবেলিন পিনেডা হার্নান্দেজের ক্রস থেকে দলের জয় নিশ্চিত করেন।
ম্যাচ শেষে পায়েজ বলেছেন, ‘জয় দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করাটা গুরুত্বপূর্ণ। এর ফলে খেলোয়াড়দের আত্মবিশ্বাস বহুগুনে বেড়ে যায়। পরের ম্যাচগুলো খেলাও তখন সহজ হয়ে যায়। প্রথমার্ধে আমাদের রক্ষনভাগ নিয়ে কিছুটা সমস্যা ছিল। কিন্তু ম্যাচের সময় যত গড়িয়েছে ধীরে ধীরে সেটার সমাধান হয়ে গেছে।’
ম্যাচের ঠিক পরপরই ওসোরিওর সাথে কথা বলতে পারেননি পায়েজ। ফিফা নিষেধাজ্ঞার কারনে ওসোরিওর ড্রেসিং রুমে প্রবেশেও বাঁধা রয়েছে। এই জয়ে মেক্সিকো এই নিয়ে এল সালভাদোরের বিপক্ষে টানা সাত ম্যাচ অপরাজিত থাকলো। ২০০৯ সালে প্রথম দুটি দল একে অপরের মুখোমুখি হয়েছিল।
বৃহস্পতিবার গ্রুপের পরের ম্যাচে ডেনভারে মেক্সিকো জ্যামাইকার মোকাবেলা করবে। ২০১৫ সালের ফাইনালে জ্যামাইকাকে পরাজিত করে শিরোপা জিতেছিল মেক্সিকানরা। গ্রুপ-সি’র আরেক ম্যাচে জ্যামাইকা ২-০ গোলে কুরাকাওকে পরাজিত করেছে। ৫৮ মিনিটে রোমারিও উইলিয়ামস ও ৭৩ মিনিটে ড্যারেন মাটোকদের গোলে রেগা বয়েজদের জয় নিশ্চিত হয়। গত ২৫ জুন ক্যারিবীয়ান কাপের ফাইনালে কুরাকাওয়ের বিপক্ষে ২-১ গোলে পরাজিত হয়েছিল জ্যামাইকা। সে কারনেই কালকের ম্যাচটিকে অনেকেই প্রতিশোধ হিসেবে বিবেচনা করছে। বাসস।
ইত্তেফাক/রেজা
