আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, নির্বাচন নিয়ে সংলাপ হবে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে। নির্বাচন কমিশন সংলাপ ডেকেছে, সুশীল সমাজসহ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সকল দলের সঙ্গে পর্যায়ক্রমে সংলাপ হবে। নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব যথাসময়ে সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন শেষ করা। সহায়ক সরকার সংবিধানের বিষয়, নির্বাচন কমিশনের এখতিয়ার নয়। এটি নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আলোচনা করারও বিষয় নয়।
সোমবার দুপুরে সিরাজগঞ্জে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেছেন।
এর আগে তিনি ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সিরাজগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের সিসিইউ ইউনিট, মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য সংরক্ষিত ইউনিটসহ বিভিন্ন ইউনিট ঘুরে ঘুরে দেখেন। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আয়োজিত আলোচনা সভায় যোগ দেন। সন্ধ্যায় তিনি কৃষি, বন বিভাগ ও জেলা প্রশাসন আয়োজিত সাত দিনব্যাপী বৃক্ষ মেলার উদ্বোধন করেন।
জেলা প্রশাসক কামরুন নাহার সিদ্দীকার সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন সিরাজগঞ্জ সদর আসনের এমপি ও জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ডা. হাবিবে মিল্লাত মুন্না, সেলিনা বেগম স্বপ্না এমপি, পুলিশ সুপার মিরাজ উদ্দিন আহম্মেদ উপস্থিত ছিলেন।
হাসপাতালে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত তত্বাবধায়ক ডা. উদয় নারায়ণ মোহন্ত। ডা. ওয়ালিউল ইসলামের সঞ্চালনায় অন্যান্যের বক্তব্য দেন পৌর সভার মেয়র সৈয়দ আব্দুর রউফ মুক্তা, সিভিল সার্জন ডা. শেখ মো. মনজুর রহমান ও মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসার ডা. রেজাউল ইসলাম।
সমাবেশে মোহাম্মদ নাসিম বলেন, সময় মতো নির্বাচন না হলে এদেশে অশুভ শক্তির উত্থান হবে, অবৈধ সরকার আসবে। আওয়ামী লীগ ১৯৭০ সালে সামরিক শাসনের মধ্যেও নির্বাচন করেছে। নির্বাচনে ভোট দেয়া যেমন জনগণের অধিকার। তেমনি নির্বাচনে অংশ নেয়া অথবা বর্জন করাও হচ্ছে রাজনৈতিক দলের অধিকার। তবে কোন দল যদি একাধিকবার নির্বাচন বর্জন করে তবে তাদের অস্তিত্ব নিয়ে টানাটানি পড়বে।
ইত্তেফাক/ইউবি
