টানা বর্ষণে বিভিন্ন স্থানে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। আর এতে তলিয়ে গেছে হাজার হাজার বিঘা মত্স্য ঘের ও ফসলি জমি। ইত্তেফাক প্রতিনিধি ও সংবাদদাতাদের পাঠানো খবর।
সাতক্ষীরা: অপরিকল্পিত বেড়ি বাঁধ দিয়ে মত্স্য ঘের নির্মাণ করে পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ করে দেওয়ায় গত এক সপ্তাহের টানা বর্ষণে সাতক্ষীরার সাতটি উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। তলিয়ে গেছে হাজার হাজার বিঘা মত্স্য ঘের ও ফসলি জমি। জলাবদ্ধ এলাকার মানুষের জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।
জেলা মত্স্য অফিস সূত্রে জানা গেছে, জেলার সাতটি উপজেলার তিন হাজার চারশ ২৮ হেক্টর মত্স্য ঘের পানিতে তলিয়ে গেছে। তবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে আশাশুনি উপজেলার মত্স্য ঘেরগুলোয়।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, জেলার সাতটি উপজেলার ১২শ হেক্টর ফসলি জমি তলিয়ে গেছে। এর মধ্যে রয়েছে আউশ ও আমন ধানের বীজতলা, পাট ক্ষেত ও বিভিন্ন প্রকার সবজির ক্ষেত।
মাগুরা: মাগুরা সদর উপজেলার মঘি ও কেচুয়াডুবি মাঠের এক হাজার হেক্টরসহ পুরো জেলায় প্রায় দুই হাজার হেক্টর জমির রোপা আমন ধানের চারা পানির নিচে তলিয়ে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। স্লুইস গেট না থাকায় মাগুরার শালিখা উপজেলার ফটকী নদীর পানি ঢুকে এ চারা নিমজ্জিত হয়েছে বলে কৃষকদের অভিযোগ।
রায়পুর (লক্ষ্মীপুর): শহরের প্রধান সড়কের পিছনের সর্দারবাড়ির পুরো এলাকা, ৬নং ওয়ার্ডের টিএনপি সড়কের পাশের ও ৪নং এবং ১নং ওয়ার্ডসহ রায়পুর পৌরসভার নয়টি ওয়ার্ডের বিভিন্ন স্থানে জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে।
৩নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র নাজমুল কাদের গুলজার এবং ৯নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নাছির উদ্দিন রাসেল বলেন, প্রতিটি মিটিংয়ে সড়ক সংস্কার ও জলাবদ্ধতার কথা বলা হচ্ছে। কিন্তু কোনো কাজ হচ্ছে না। তবে মেয়র আমাদের আশার বাণী দিয়ে যাচ্ছেন। সেই আশাই আমরা জনগণকে শোনাচ্ছি।
পৌর মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল খোকন বলেন, সাবেক মেয়রের রেখে যাওয়া ঋণ পরিশোধ করতে গিয়ে জনসাধারণের প্রত্যাশা পুরোপুরি পূরণ হয়নি কথাটি সঠিক। তবে চলতি বছর থেকে সকল উন্নয়নমূলক কাজই শুরু হবে। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি সড়কের টেন্ডার দেওয়া হয়েছে। যার কাজ কিছুদিনের মধ্যে শুরু হবে।
ইত্তেফাক/নূহু
