তুফানের স্ত্রী ও শাশুড়িকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ

আপডেট : ০৩ আগস্ট ২০১৭, ২০:২৪
 
বগুড়ায় ছাত্রী ধর্ষণ এবং মাসহ ন্যাড়া করে দেওয়ার মামলায় তুফান সরকারের স্ত্রী আশা খাতুন ও শাশুড়ি রুমি খাতুনের তৃতীয় দফা রিমান্ড নামঞ্জুর করে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
 
বৃহস্পতিবার বিকালে তাদের অতিরিক্ত সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পাঁচ দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়। কিন্তু বিচারক শ্যাম সুন্দর রায় রিমান্ড নামঞ্জুর করে আগামী সাত দিনের মধ্যে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে নির্দেশ দিয়েছেন।
 
পুলিশ জানায়, ধর্ষণ ও নির্যাতনের পৃথক মামলায় ১০ আসামি। এছাড়া কয়েকজন অজ্ঞাত আসামি রয়েছে। এজাহারভুক্ত ও অজ্ঞাত মিলে মোট ১১জন গ্রেফতার হয়েছে। এরা হলেন, এজাহারভুক্ত তুফান সরকার, আতিক, দিপু, রূপম, পৌর কাউন্সিলর মারজিয়া হাসান রুমকি, বোন আশা খাতুন, তাদের মা রুমি খাতুন, গাড়ি চালক জিতু ও মুন্না এবং অজ্ঞাত আসামি রুমকির বাবা জামিলুর রহমান রুনু ও নাপিত জীবন রবিদাস।
 
এদের মধ্যে আতিক ও জীবন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। বুধবার আদালত দ্বিতীয় দফায় তুফান সরকার ও মুন্নাকে দুদিন করে এবং আশা ও রুমিকে একদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রুমকির চার দিনের রিমান্ডের শেষ দিন চলছে। আসামি জীবন, দিপু, রূপম, জিতু ও জামিলুর রহমান রুনুকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। আতিক আগে থেকেই জেলে আছেন।
 
তদন্তকারী কর্মকর্তা সদর থানার ওসি (অপারেশন) আবুল কালাম আজাদ জানান, রিমান্ডে কেউ মুখ খোলেনি। বৃহস্পতিবার বিকেলে আশা ও রুমকিকে আদালতে হাজির করে তৃতীয় দফায় পাঁচ দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়। বিচারক রিমান্ড নামঞ্জুর করে তাদের আগামী সাত দিনের মধ্যে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদ করতে বলেছেন। এ সাতদিনের মধ্যে ইচ্ছামত জিজ্ঞাসাবাদ করা যাবে। পরে তাদের দু'জনকে জেলে পাঠানো হয়। তুফান সরকার ও মুন্নার শেষদিনের রিমান্ড চলছে।
 
ইত্তেফাক/জামান