একটি প্রাইভেট কারের ছাদে দুটি বিশাল কংক্রিটের ল্যাম্পপোস্ট দেখে কারটি থামায় পুলিশ। চালককে জানানো হয় এত ভারি মাল প্রাইভেট কারের ছাদে করে বহন করা বেআইনি। ভারি মাল বহনের যানবাহন আলাদা। তাই তিনি আইন অমান্য করেছেন। লোকটিকে গাড়ি থেকে নামিয়ে একটু জিজ্ঞাসাবাদ করতেই আবিষ্কার করে ফেলল এই লোকটি তো আইন ভাঙায় চ্যাম্পিয়ন! রীতিমতো কেঁচো খুঁড়তে সাপ বেরিয়ে আসতে লাগলো।
ঘটনাটি নেদারল্যান্ডের লেলিস্ট্যাডের। পুলিশ জানতে পারল লোকটি ল্যাম্পপোস্ট দুটি আসলে আরেকটি শহর থেকে চুরি করে এনেছে। কম্পিউটারে তার ব্যাপারে সার্চ দিয়ে পুলিশ আরো জানতে পারল তার বিরুদ্ধে ট্রাফিক আইন লংঘনের একগাদা অভিযোগ রয়েছে। তারা যখন গাড়িটির ইনস্যুরেন্সের কপি চাইলেন তখন জানলেন তিনি ইনস্যুরেন্সও করেননি। ফিটনেস সার্টিফিকেট চাইলে তিনি জানান সেটি কয়েকমাস আগে ‘ডেট ওভার’ হয়ে গেছে।
কিছুক্ষণ ওই ভদ্রলোকের সাথে কথা বলে পুলিশ জানতে পারল তিনি গাড়ি চালানোর আগে মদ পান করেছেন। অর্থাত্ আরো একটি অপরাধ করেছেন। তিনি পুলিশের কাজে অসযোগিতা করছেন এমন অভিযোগেও আরেকটি মামলা খেতে হলো। কিছুক্ষণ পর আরেকটি গাড়িতে করে এলো একটি পেট্রোল পাম্পের কয়েকজন কর্মচারি। তারা পুলিশকে জানালো, এই ব্যক্তি তাদের পাম্প থেকে জ্বালানি নিলেও দাম পরিশোধ না করে পালিয়ে চলে এসেছেন।
পুলিশ আরো একটু কষ্ট করতেই জানতে পারল তার এই গাড়িটিও চুরি করা! অভিযোগ লিখতে লিখতে পুলিশ যখন ক্লান্ত তখন তারা অন্য একটি সিটি পুলিশের নিকট থেকে ফোন পেল—আপনারা যাকে আটক করেছেন সে ল্যাম্পপোস্ট চুরি করতে গিয়ে দু’জন সিকিউরিটি গার্ডকে পিটিয়ে অজ্ঞান করে পালিয়েছে। -এবিসি নিউজ
ইত্তেফাক/নূহু
