ঈদুল আজহা উপলক্ষে ২৮ আগস্ট থেকে ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সব ধরনের নৌপথে বালুবাহী নৌযান (বাল্কহেড) চলাচল বন্ধ থাকবে। রাতের বেলায় মালবাহী, পণ্যবাহী ও বালুবাহী নৌযান চলাচল বন্ধ থাকবে।
মঙ্গলবার অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) ভবন মিলনায়তনে আয়োজিত এক সভায় এসব সিদ্ধান্ত হয়।
নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খানের সভাপতিত্বে সভায় আরো সিদ্ধান্ত হয়, লঞ্চে অতিরিক্ত যাত্রী ও মালামাল বোঝাই করা যাবে না। প্রত্যেক লঞ্চের সিঁড়ির দুই পাশে প্রশস্ত রেলিংয়ের ব্যবস্থা করতে হবে। সদরঘাটে নদীর মাঝপথ থেকে যাতে নৌকা দিয়ে যাত্রী লঞ্চে উঠতে না পারে, তার ব্যবস্থা নিতে হবে। এ জন্য কোস্টগার্ড নিয়োজিত করতে হবে। কেবিনের যাত্রীদের ছবি, মোবাইল নম্বর, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর সংরক্ষণ করতে হবে। নৌপথে ডাকাতি, চাঁদাবাজি, যাত্রী হয়রানি বন্ধ করতে রাতে পুলিশি টহল জোরদার এবং নদীতে এলোমেলোভাবে ট্যাংকার, লঞ্চ, কোস্টার, বার্জ ইত্যাদি চলাচল নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।
সভায় উপস্থিত মানিকগঞ্জ ও রাজবাড়ীর জেলা ও পুলিশ প্রশাসনের প্রতিনিধিরা ঈদের আগে ও পরে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পর্যন্ত সংখ্যক ফেরি যান রাখার সুপারিশ করেন। তাঁরা ঈদের আগেই নদী পুনঃখননের অনুরোধ জানান।
সভায় নৌপরিবহনসচিব অশোক মাধব রায়, বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান কমডোর এম মোজাম্মেল হক, অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন সংস্থার (বিআইডব্লিউটিসি) চেয়ারম্যান জ্ঞান রঞ্জন শীল, নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কমডোর সৈয়দ আরিফুল ইসলাম, উপমহাপরিদর্শক (নৌ পুলিশ) মারুফ হাসান, অভ্যন্তরীণ নৌ চলাচল (যাত্রী ও পরিবহন) সংস্থার সভাপতি মাহবুবউদ্দিন আহম্মদ প্রমুখ।
ইত্তেফাক/এএম।
