স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয় অঞ্চলে এইডস নির্মূলের লক্ষ্যে বাংলাদেশ আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধির মাধ্যমে একযোগে কাজ করে যাবে।
তিনি বলেন, এই অঞ্চলের জনগণের স্বাস্থ্যমানের উন্নয়নে দেশগুলো পারস্পরিক সহায়তা জোরদার করে ইতোমধ্যে সাফল্য পেয়েছে। আগামীতেও সম্পদ ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ে গতিশীলতা বাড়িয়ে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বাংলাদেশ সব দেশের সহযোগিতা চায়।
বুধবার সচিবালয়ে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয় অঞ্চলে এইচআইভি ও এইডস এবং তৃতীয় লিঙ্গের জন্য প্রয়োজনীয় কর্মসূচি পর্যবেক্ষণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সফররত শ্রীলঙ্কা ও ভুটানের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে মতবিনিমিয় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন।
১০ সদস্যের প্রতিনিধি দলে শ্রীলঙ্কার শহর পরিকল্পনা ও পানি সরবরাহ প্রতিমন্ত্রী সুদর্শনি ফার্নান্দোপুলে ও ভুটানের সংসদ সদস্য সাংগাই খান্ডুসহ দুই দেশের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে এইডস রোগীর হার শতকরা এক এর নিচে হলেও একে নির্মূলের লক্ষ্যে জনসচেতনতা কর্মসূচি জোরদার রেখেছে। এজন্য স্কুল-কলেজের পাঠ্যসূচিতে এ সংক্রান্ত বিষয় অন্তর্ভূক্ত করাসহ কিশোর ও যুব সমাজের মধ্যে সচেতনতামূলক কর্মসূচি প্রণয়ন করে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ ২০১৩ সালে হিজড়া জনগোষ্ঠীকে তৃতীয় লিঙ্গের মর্যাদা দিয়ে তাদের কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগে (এসএমই) বিনিয়োগে ব্যাংক ঋণ সহজলভ্য করাসহ নানাবিধ সামাজিক কর্মসূচি গতিশীল করেছে। এ ছাড়া সরকার তাদের আইনগত সহায়তা প্রদানের জন্যে জেলা পর্যায়ে আইনজীবীদের নিয়ে প্যানেল কমিটি গঠন করেছে।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব সিরাজুল হক খান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদসহ মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বাসস
ইত্তেফাক/ইউবি
