স্পিকার ও সিপিএ চেয়ারপার্সন ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ধারণ করে দেশের ভবিষ্যত বিনির্মানে কাজ করতে নবীন ছাত্র নেতাদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি। তাঁর নেতৃত্বে আমরা বাংলাদেশ পেয়েছি। এটাই ইতিহাসের অমোঘ সত্য। বঙ্গবন্ধু বাঙালি জাতিকে আত্মমর্যাদাশীল জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে গেছেন।’
বৃহস্পতিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিনেট ভবন মিলনায়তনে ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ আইন অনুষদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা আয়োজিত ‘বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মোল্লা মো: আবু কাওছার, আলহাজ সিরাজুল ইসলাম মোল্লা, আইন অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মো: রহমত উল্লাহ, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি মো: সাইফুর রহমান সোহাগ, সাধারন সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি আবিদ আল হাসান এবং পশ্চিমবঙ্গ থেকে আগত ছাত্র নেতৃবৃন্দ বক্তৃতা করেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ আইন অনুষদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি মো: শরিফুল হাসান শুভ।
স্পিকার বলেন,বঙ্গবন্ধুর দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামের ফসল বাংলাদেশের স্বাধীনতা। অসীম সাহস আর মানুষের প্রতি তাঁর ভালবাসা তাকে জাতির পিতার আসনে অধিষ্ঠিত করেছে।
তিনি বলেন, জাতির পিতা ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের ভাষণে বলেছিলেন ‘আমি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীত্ব চাইনা, আমি বাংলার মেহনতি মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে চাই’। তিনি বলেন, জাতির পিতা মেহনতি মানুষের মুক্তির জন্য কাজ করে গেছেন। স্পিকার আইন অনুষদের ছাত্রদেরকে ১৯৭২এর সংবিধান অধ্যয়ন করার আহবান জানিয়ে বলেন, এটি বাংলাদেশের মূল আইন। তিনি গণপরিষদে বঙ্গবন্ধু প্রদত্ত মর্মস্পশী ভাষণ অধ্যয়নেরও আহবান জানান।
স্পিকার বলেন, জাতির পিতার অঙ্গুলির নির্দেশে বাংলার আপামর মানুষ মুক্তির সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ে দেশ স্বাধীন করে। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক আদর্শ ছিল মানুষকে ভালবাসা। তিনি ছিলেন নির্যাতিত মানুষের আশ্রয়স্থল। বঞ্চিত, নিপীড়িত, নির্যাতিত মানুষের জন্যই ছিল তাঁর রাজনীতি।
তিনি আরো বলেন, জাতি দীর্ঘদিন বঙ্গবন্ধুর হত্যার বিচারের জন্য অপেক্ষা করেছে। ইনডেমনিটি বিলের মাধ্যমে এই বিচারে বাধা সৃষ্টি করা হয়েছিল। আমরা এই বাধা অতিক্রম করে বঙ্গবন্ধু হত্যাকারীদের বিচার সম্পন্ন করে জাতিকে কলংকমুক্ত করতে সক্ষম হয়েছি। বাসস।
ইত্তেফাক/রেজা
