খুলনা শহরে কোরবানির পশুরহাট মাত্র একটি

আপডেট : ১৯ আগস্ট ২০১৭, ২২:০২
ঈদুল আজহা উপলক্ষে খুলনায় ২৬ আগস্ট থেকে ৩৩টি কোরবানির পশুর হাট শুরু হবে। ইতিমধ্যে বটিয়াঘাটা উপজেলার বারোআড়িয়ায় ছাগলের হাট বসতে শুরু করেছে। 
 
খুলনা শহরের ১৫ লাখ মানুষের জন্য একমাত্র পশুরহাট জোড়াগেটে। প্রতি বছর নগরবাসী শহরের পশু হাট বাড়ানোর দাবি জানালেও তাতে কর্ণপাত করে না প্রশাসন। খুলনা সিটি কর্পোরেশনর (কেসিসি) ব্যবস্থাপনায় ২৬ আগস্ট মহানগরীর জোড়াগেট পশুর হাটের উদ্বোধন করা হবে। এ ছাড়া জেলার অধিকাংশ হাটের শুরুর প্রক্রিয়া শেষের পর্যায়ে রয়েছে। 
 
জেলা প্রশাসনের সূত্র জানায়, খুলনা জেলার ৩৩টি হাটের মধ্যে রয়েছে- মহানগরীর জোড়াগেট, পাইকগাছা উপজেলার চাঁদখালী, গদাইপুর, কাছিঘাটা, পাইকগাছা জিরোপয়েন্ট, ডুমুরিয়া উপজেলার খর্নিয়া, শাহাপুর, আঠারো মাইল, চুকনগর, দাকোপ উপজেলার বাজুয়া, চালনা, কয়রা উপজেলার দেউলিয়া, গোবিন্দপুর, কালনা, ঘুগরাকাঠি, মান্দারবাড়িয়া, হোগলা, ফুলতলা উপজেলা সদর, দিঘলিয়া উপজেলার এম এম মজিদ কলেজ মাঠ ও জালাল উদ্দিন কলেজ মাঠ, পথের বাজার মাধ্যমিক বিদ্যালয়, তেরখাদা উপজেলার ইখড়ি কাটেঙ্গা, বটিয়াঘাটা উপজেলার বাইনতলা, খুটিরহাট, উপজেলা সদর, বারোআড়িয়া, রূপসা উপজেলার আমতলা, তালিমপুর ও পূর্ব রূপসা বাস স্ট্যান্ড। 
 
এদিকে খুলনায় পশুর হাটে দালাল ও পুলিশের উৎপাত নিয়ে শংকায় আছেন ব্যবসায়ী ও গরু বিক্রেতারা। উপজেলাগুলোতে পুলিশকে টাকা না দিয়ে সড়ক দিয়ে কোনও পশু বাজারে নেয়া সম্ভব হয় না বলে অভিযোগ খুলনা অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায়বাসীর। আর টাকা না দিলেই হয়রানি করা হচ্ছে। 
 
এ প্রসঙ্গে খুলনা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গোয়েন্দা) সিএ হালিম সাংবাদিকদের বলেন, কোরবানির পশুবাহী ট্রাককে পথে আটকানো যাবে না। কোরবানির পশু ও ব্যাপারীদের নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সড়কে পুলিশের টহল থাকবে। প্রত্যেক হাটে একজন অফিসারের নেতৃত্বে ৫-৬ জন পুলিশ দায়িত্ব পালন করবেন। বড় হাটগুলোর পাশের সড়কে পুলিশের টহল থাকবে।
 
র‌্যাব-৬ এর কমান্ডিং অফিসার খোন্দকার রফিকুল ইসলাম জানান, পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় রেখে পশুর হাটে নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হবে। প্রতিটি হাট ও হাট সংলগ্ন সড়কে র‌্যাবের টহল থাকবে।
 
 
ইত্তেফাক/ইউবি