ভারতের ধর্ষক ধর্মগুরু গুরমিত রাম রহিম সিং হরিয়ানার সিরসা শহরে গড়ে তুলেছিলেন তার প্রধান আশ্রম ‘ডেরা সাচ্চা সওদা’। জানা গেছে, প্রায় ১ হাজার একর জায়গা জুড়ে আশ্রম কমপ্লেক্সটি তৈরি করা হয়েছে।
IMG0
এখানে আরো রয়েছে একটি হাসপাতাল। যেখানে স্থানীয় লোকজন বিনামূল্যে চিকিৎসা পান। রয়েছে একটি রিসোর্ট, একটি হোটেল, বিশাল একটি অডিটোরিয়াম, যেখানে অনুসারীদের জন্য গানবাজনা, সেমিনারসহ নানা অনুষ্ঠান করেন রাম রহিম সিং।
IMG1
ভেতরেই রয়েছে খাবারদাবারের আয়োজন। গুরু ২০ বছরের দণ্ড পেয়ে কারাগারে থাকলেও এখনো এখানে অবস্থান করছে তার ৪০ হাজারের মতো ভক্ত-অনুসারী। তাদের সব আয়োজনও ভেতরেই হচ্ছে।
IMG2
একটু দূরেই রয়েছে ধ্যান কক্ষ। আর তার পাশে অনেকটা রাজকীয় একটি ভবন, যেখানে গুরু বসবাস করেন। সেখানে কর্মরত এক সেবকের বরাতে জানা গেছে, এটা হচ্ছে শহরের মধ্যে আরেকটি শহর। এখানে একটার পর একটা নিরাপত্তা বেষ্টনী আছে। যদিও সহিংসতা শুরু হওয়ার পর পুরো কমপ্লেক্সটি ঘিরে রেখেছে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা। পুলিশের পাশাপাশি রয়েছে সেনাবাহিনীর সদস্যরাও।
IMG3
এছাড়া এই মন্দিরসহ গুরুর সব সম্পত্তি জব্দের নির্দেশ দেয়া হয়েছে কর্তৃপক্ষকে। কিন্তু তার অনুসারীরা এই মন্দির ছাড়তে রাজি নয়। ফলে উত্তর ভারতের এই শহরে প্রায় ৪০ হাজার অনুসারী আর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এখন প্রায় মুখোমুখি অবস্থায় রয়েছে।
IMG4
উল্লেখ্য, দুজন নারী শিষ্যকে ধর্ষণের দায়ে ভারতের বিতর্কিত ধর্মীয় গুরু গুরমিত রাম রহিম সিংকে গতকাল সোমবার ২০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে দেশটির আদালত। কিন্তু তার আগেই, গত শুক্রবার রাম রহিমের দোষী সাব্যস্ত হওয়ার খবর শুরে অনুসারীরা যে বিক্ষোভ ও সহিংস তাণ্ডব শুরু করে, তাতে অন্তত ৩৮ জন নিহত হয়। বিবিসি।
ইত্তেফাক/সেতু
