শিমুলিয়া ঘাটে পারের অপেক্ষায় ৫ শতাধিক যান

আপডেট : ৩০ আগস্ট ২০১৭, ১০:৫৮
 
শিমুলিয়া ঘাটে পাঁচ শতাধিক যান পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে। তীব্র স্রোত ও বাতাসের কারণে ফেরি চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। কোরবানির গরু বহনে ট্রাকের চাপও বেড়েছে। অপেক্ষারত যানের মধ্যে ট্রাকের সংখ্যা প্রায় সাড়ে তিনশ। ফেরি স্বাভাবিক গতিতে চলতে না পারায় দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার প্রবেশদ্বার শিমুলিয়াঘাটে যানবাহনের দীর্ঘ লাইন আরো বাড়ছে। এদিকে, শিমুলিয়ার ৩ নম্বর ঘাট রাতে বিকল হয়ে যায়। ঘাটের পন্টুনের প্লেট সরে গিয়ে পানি ওঠে। এতে সোমবার রাত ১২টা থেকে মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৫টা পর্যন্ত ঘাটটি বন্ধ থাকে। এতে নাইট কোচসহ বহু যান আটকা পড়ে। তবে মেরামতের পর চালু হয় এই ঘাট।
 
শিমুলিয়া বিআইডব্লিউটিসির এজিএম খন্দকার শাহ নেওয়াজ খালেদ জানান, প্রতিদিন বাড়তি প্রায় ৩/৪ শত কোরবানির গরুর ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যান যাচ্ছে ঢাকার দিকে। তার সাথে নদীতে তীব্র স্রোত ও বাতাস রয়েছে। আবার ৩ নম্বর ঘাট সাড়ে ৫ ঘণ্টা বন্ধ থাকায় যানজট বৃদ্ধি পায়। এক ঘণ্টা ২০ মিনিটের পরিবর্তে ফেরিগুলোর পদ্মা পাড়ি দিতে দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা লেগে যাচ্ছে।
 
পুলিশ সুপর মোহাম্মদ জায়েদুল আলম জানান, ঘাট এলাকায় সিসি ক্যামেরাসহ ওয়াচ টাওয়ার ও অস্থায়ী অভিযোগ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। ২৫০ জন পুলিশ সদস্য ছাড়াও র্যাব, কোস্ট গার্ড, আনসার, কমিউনিটি পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। যানজট এড়াতে বুধবার থেকে ঈদের দিন পর্যন্ত তিন দিন নৌরুটে সকল পন্যবাহী ট্রাক পারাপার বন্ধ থাকবে।
 
শিবালয় (মানিকগঞ্জ) সংবাদদাতা জানান, পদ্মা-যমুনায় প্রবল স্রোত এড়িয়ে অন্য পথে ফেরি চলাচল করায় অতিরিক্ত সময় ব্যয় হচ্ছে। এতে ফেরির স্বাভাবিক ট্রিপ সংখ্যা কম হচ্ছে। ফেরি সংস্থার স্থানীয় কর্মকর্তারা জানান, বিকল ফেরি সচল করায় বহরে ১৭টি ফেরি যোগ হয়েছে। পাটুরিয়া ঘাটে ‘মধুমতি’তে বিআইডব্লিউটিসির ভাসমান কারখানায় বিকল ফেরি বারবার জোড়া-তালি দিয়ে মেরামতের নামে একশ্রেণীর কর্মকর্তা-কর্মচারী মোটা অঙ্কের টাকা আত্মসাত্ করছেন এমন অভিযোগ রয়েছে। সংস্থার ডিজিএম মো. আজমল হোসেন জানান, ফেরি মেরামতের নামে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হবে।
 
ইত্তেফাক/আনিসুর