তার ভালো নামটা এখন আর কেউ জানে না। সবাই তাকে এক নামে চেনে মইজ্জ্যা ডাকাইত বলে। বয়স ৩৫/৩৬ হবে। বরিশালের ডাক সাইটে ডাকাত। জলে-স্থলে তার অবাধ বিচরণ। তার ডাকাতির হাত থেকে কারও রেহাই নেই। দুর্ধর্ষ লোমহর্ষক সব ডাকাতি করে তার দল। শুনলে মানুষের গায়ে কাটা দেয়। বর বউ নিয়ে বাড়ি ফিরছিল ছোট্ট লঞ্চে।
মইজ্জা ডাকাতের দল তখন আক্রমণ করে। বরযাত্রীর সাথে থাকা পুরুষরা লাফ দিয়ে নদীতে পড়তে থাকে। মইজ্জা ডাকাত পারতপক্ষে মহিলা ও শিশুদের গায়ে হাত তোলে না। সকল মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে নেমে যায় লঞ্চ থেকে। কোনো গ্রামে মইজ্জা ডাকাতকে দেখা গেছে তো সেই গ্রামসহ আশেপাশের দশ গ্রামের সকলের ঘুম হারাম।
কখন যে কার বাড়িতে ডাকাতি করবে এ নিয়ে সবাই তটস্থ থাকে। এবার তাকে দেখা গেছে ভানীপুর গ্রামে। সবার থরহরি কম্প। গ্রামে স্পেশাল পাহারা বসে। কোনো কাকপক্ষীও ফাঁক গলিয়ে যেতে পারবে না! এভাবে গল্প এগিয়েছেন টেলিছবি ‘প্রাপক, প্রিয় পরী’র।
মেজবাহ উদ্দীন সুমনের রচনা ও হিমেল আশরাফের পরিচালনায় টেলিছবি ‘প্রাপক, প্রিয় পরী’। এতে অভিনয় করেছেন আনিসুর রহমান মিলন, শখ প্রমুখ। প্রচার ঈদের দ্বিতীয় দিন দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে চ্যানেল আইয়ে।
ইত্তেফাক/আনিসুর
