চলন্ত বাসে গণ ধর্ষণের পর হত্যা: পরিবারকে পুলিশের সহায়তা

আপডেট : ৩০ আগস্ট ২০১৭, ২০:৩৫
 
চলন্ত বাসে গণধর্ষণের পর হত্যার শিকার জাকিয়া সুলতানা রুপার মা হাছনাহেনা বেগম শোকে কাতরাচ্ছেন। কেঁদে কেঁদে অসুস্থ হয়ে জ্ঞান হারালে বুধবার সকালে তাকে তাড়াশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। এ খবর শুনে শোকাহত অসুস্থ মায়ের পাশে দাঁড়িয়েছেন সিরাজগঞ্জ পুলিশ সুপার (পিপিএম) মিরাজ উদ্দীন আহাম্মেদ।
 
তার পক্ষে তাড়াশ থানা ওসি মো. মনজুর রহমান নিহতের পরিবারের খোঁজ খবর নেন। পরে বুধবার বিকেলে তাড়াশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিহত রুপার মাকে দেখতে যান তিনি। একই সঙ্গে পুলিশ সুপারের পক্ষে সু-চিকিৎসার জন্য তার হাতে নগদ অর্থ তুলে দেন। এ সময় ওসি (তদন্ত) মো. ফজলে আশিক, এসআই গিয়াস উদ্দিন, দৈনিক ইত্তেফাকের তাড়াশ সংবাদদাতা গোলাম মোস্তফা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
 
গত শুক্রবার বাসের ভেতর তিন হেলপার রুপাকে গণধর্ষণ করে হত্যা করে জানালা দিয়ে বাইরে ফেলে দেয় লাশ। এদিকে পরিচয় না মেলায় গত শনিবার ময়নাতদন্ত শেষে বেওয়ারিশ লাশ হিসেবে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় কবরস্থানে দাফন করে মধুপুর থানা পুলিশ। গত সোমবার ছবি দেখে নিহতের বড় ভাই লাশ শনাক্ত করার পর জানা যায় সে সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার আসানবাড়ি গ্রামের মৃত জেলহক প্রামানিকের মেয়ে।
 
ইত্তেফাক/জামান