বঙ্গোপসাগরসহ বরগুনার পায়রা, বিষখালী ও বলেশ্বর নদীর ভাঙন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। অরক্ষিত হয়ে পড়েছে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ। অস্বাভাবিক জোয়ারের পানিতে বসতবাড়ি, গাছ ও ফসলী জমি বিলীন হয়ে যাওয়ার আতংকে রয়েছেন জেলার লাখো মানুষ।
প্রাকৃতিক দুর্যোগ অথবা অতি জোয়ারের পানি একটু সুযোগ পেলেই প্লাবিত করে দেয় গ্রামাঞ্চল। দ্রুত এসব বেড়ি বাঁধ সংস্কার অথবা পুননির্মাণ করতে না পারলে অসংখ্য প্রাণহানিসহ ব্যাপক ক্ষতির আশংকা করেছেন স্থানীয়রা। তবে পানি উন্নয়ন বোর্ডের দাবি, দুর্যোগ মোকাবেলায় এসব ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধ জরুরিভাবে মেরামতের চেষ্টা চলছে।
বরগুনা পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, জেলার ২২টি পোল্ডারে সাড়ে ৮শ কি.মি বেরি বাঁঁধের মধ্যে ঘূর্ণিঝড় সিডর, আইলা, মহাসেনসহ একাধিক প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত হয় ৫শ কি.মি বেড়ি বাঁধ। যার মধ্যে ১১টি পোল্ডারে প্রায় ৩শ কি.মি বাঁধের সংস্কার ও পুন মেরামতের কাজ বর্তমানে চলমান রয়েছে। তবে বর্তমানে একাধিক পয়েন্টে সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থায় প্রায় চার কি.মি বাঁধ রয়েছে। এসব ভাঙা বাঁধ দিয়ে প্রত্যেক আমাবশ্যা পূর্ণিমার সময় জোয়ারের পানি ঢুকে প্লাবিত হচ্ছে ঘরবাড়ি। ভাসিয়ে নিচ্ছে মাছের ঘের, নষ্ট হচ্ছে ফসলি জমি আর ব্যাহত হচ্ছে যোগাযোগ ব্যবস্থা ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা।
বরগুনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মশিউর রহমান বলেন, আমাদের বরাদ্দের সংকট থাকা সত্বেও ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধগুলো জরুরিভাবে মেরামতের চেষ্টা করি।
ইত্তেফাক/নূহু
