বঙ্গবন্ধু সেতুর গাইড বাঁধে চতুর্থ দফায় ভাঙন

আপডেট : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ০২:০১

বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্ব প্রান্তের দক্ষিণে গড়িলাবাড়িতে সেতুর গাইড বাঁধে শনিবার রাত থেকে রবিবার পর্যন্ত চার দফায় ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। এতে কালিহাতী উপজেলার যমুনা নদীর তীরবর্তী গ্রামের ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। ভাঙন প্রতিরোধে নামমাত্র কাজ করছে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব সাইট অফিস কর্তৃপক্ষ।

বঙ্গবন্ধু সেতু ঘেঁষেই যমুনা নদীতে ড্রেজার দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও সেতু কর্তৃপক্ষের গাফিলতির কারণেই ভাঙন হচ্ছে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের। বঙ্গবন্ধু সেতুর দক্ষিণে ভাঙন কবলিত গড়িলাবাড়িতে শনিবার রাত থেকে শুরু হওয়ায় ভাঙনে সেতুর বাঁধে নতুন করে ১শ মিটার নদীগর্ভে চলে গেছে। সেই সঙ্গে গড়িলাবাড়ি, বিনোদ লুহুরিয়াসহ কয়েকটি গ্রামে ঘরবাড়ি আস্তে আস্তে নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে।

এর আগে তিন দফায় ভাঙনে সেতুর ২শ মি. রক্ষা বাঁধ এবং শতাধিক বাড়িঘর নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙন অব্যাহত থাকায় হুমকিতে রয়েছে বঙ্গবন্ধু সেতু।

ভাঙনের শিকার অসহায় মানুষ জানান, যমুনা নদীতে দীর্ঘদিন যাবত্ অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে গোহালিয়াবাড়ি ইউপি চেয়ারম্যান হযরত আলী তালুকদার ও গোহালিয়াবাড়ি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সুলতান মাহমুদসহ স্থানীয় প্রভাবশালীরা। আর এ কারণেই শুরু হয়েছে তীব্র ভাঙন।  এদিকে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব সাইট অফিসের সহকারী প্রকৌশলী মো. ওয়াশিম আলী বলেন, ভাঙনে সেতু হুমকিতে পড়েনি। ভাঙন ঠেকাতে গাইড বাঁধে জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন রোধ করার চেষ্টা চলছে।

২০০৩ সালে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব কালিহাতী উপজেলার গড়িলাবাড়ি এলাকায় সেতুর দক্ষিণে গাইড বাঁধে সেতু রক্ষায় যমুনা নদীতে ব্লক ও কার্পেটিং করে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ। বাঁধ তৈরির মাত্র ১৪ বছর পরেই বিবিএ কর্তৃপক্ষের গাফিলতির কারণে সেতুর গাইড বাঁধ ভেঙে যাচ্ছে।

ইত্তেফাক/নূহু