রায়পুর মহাসড়কে পড়ে থাকা গাছ তিন দিনেও সরানো হয়নি!

আপডেট : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ০১:২৯

রায়পুর-লক্ষ্মীপুর-ঢাকা আঞ্চলিক মহাসড়কের রায়পুর সরকারি হাসপাতাল এলাকার সড়কের ওপর উপড়েপড়া গাছটি কর্মকর্তাদের অবহেলার কারণে গতকাল মঙ্গলবার পর্যন্ত সরানো সম্ভব হয়নি। এতে গত তিন দিন ধরে ওই মহাসড়কের সকল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। এ অবস্থায় শহরের ভিতরের একটি বিকল্প সড়ক ব্যবহার করে ঢাকাগামীসহ বিভিন্ন জেলা উপজেলার বাস-ট্রাক, সিএনজি চালিত অটোরিকশাসহ সব ধরনের যানবাহন চলাচল করায় যানজট সৃষ্টি হয়ে চরম দুর্ভোগে পড়ে যাত্রীসহ পৌরবাসী।

জানা যায়, গত রবিবার রাত ১০টার দিকে হঠাত্ করে বৃষ্টির কারণে সড়কের পাশে থাকা প্রায় শত বছরের একটি মোটা রেন্ট্রি কড়ই গাছ ওই সড়কের ওপর পড়ে গেলে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরে রাত থেকে রায়পুর থানা পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন যানবাহন চলাচলের জন্য রাস্তার ওপর পড়ে থাকা মোটা গাছ দ্রুত সরিয়ে যোগাযোগ স্বাভাবিক করার চেষ্টা করে। কিন্তু সড়ক ও জনপথের কোনো কর্মকর্তারা না আসায় গত দুই দিনেও তা সম্ভব হয়নি। তবে মঙ্গলবার সকাল থেকে সড়ক ও জনপথের দুইজন উপ-সহকারী প্রকৌশলী ঘটনাস্থলে এসে তিন-চার জন লোক দিয়ে মোটা গাছটি সরানোর চেষ্টা করলে স্থানীয়দের তোপের মুখে পড়ে।

এ সময় বেশ কয়েকজন স্থানীয় লোকজন অভিযোগ করে বলেন, ঈদের সময় একটি মহাসড়কে তিন দিন ধরে যোগাযোগ বন্ধ থাকলেও সড়ক ও জনপথের কোনো কর্মকর্তাদের দেখা যাচ্ছে না। তিনদিন পর তিন-চার জন লোক নিয়ে এতো বড় একটি মোটা গাছ সরানোর নাটক করতে এসেছে। কর্মকর্তাদের অবহেলা থাকায় আরো তিন দিন পার হলেও মনে হয় এক গাছ সরিয়ে যান চলাচল শুরু করা যাবে না।

রায়পুর থানার ওসি একেএম আজিজুর রহমান মিয়া বলেন, গত দুইদিন ধরে পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন সড়কে এক পাশ দিয়ে গাড়ী চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা করে। কিন্তু গাছটি অতি মোটা হওয়ায় তাও সম্ভব হয়নি। বারবার বলা হলেও সড়ক ও জনপথের কোনো লোকজন না আসায় আমাদের পক্ষে এতো মোটা গাছটি কাটা কঠিন হয়ে পড়ে।

ঘটনাস্থলে এসে তোপের মুখে পড়া লক্ষ্মীপুর সড়ক ও জনপথের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আমির খান বলেন, আমি এখানে এসে দেখছি কীভাবে গাছটি কাটা যায়। তবে এখন যেভাবে কাজ চলছে আগামী দুই দিনের মধ্যে গাছটি কাটা সম্ভব হবে।

ইত্তেফাক/নূহু