গৌরীপুর উপজেলার ভাংনামারী ইউনিয়নের ভিতর দিয়ে বয়ে যাওয়া ব্রহ্মপুত্র নদের ব্যাপক ভাঙনের মুখে পড়ছে ১০টি গ্রাম। ইতিমধ্যে এসব গ্রামের সহস্রাধিক একর ফসলি জমি ও বেশকিছু বসতবাড়ি নদের গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। নিঃস্ব হয়েছে শতাধিক পরিবার।
বর্তমানে সবচেয়ে ঝুঁকিতে রয়েছে ভাটিপাড়া গ্রামের বাসিন্দারা। উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বন্যার্ত পরিবারগুলোর মাঝে ত্রাণ বিতরণ করলেও নদী ভাঙন কবলিত ভাংনামারী চরের ১২টি পরিবার কোনো ধরনের ত্রাণ সহযোগিতা পায়নি বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এলাকাবাসী জানায়, চলতি বছর বর্ষার শুরুতেই অনন্তগঞ্জ, ভাটিপাড়া, ভাংনামারীর চর, উজান কাশিয়ারচর, বয়রা, খোদাবক্সপুর, দূর্বাচর, চরভাবখালী, গজারিপাড়া, খুলিয়ারচরসহ ১০টি গ্রামে ভাঙন শুরু হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, চার বছর আগে চাঁদা তুলে নদে বাঁধ নির্মাণ করলেও পরের বছর তা বিলীন হয়ে যায়। এ বছর বর্ষার শুরুতেই নদে ভাঙন দেখা দিলেও প্রশাসনের পক্ষ কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
ময়মনসিংহ-৩(গৌরীপুর) আসনের সংসদ সদস্য নাজিম উদ্দিন আহমেদ বলেন, ব্রহ্মপুত্রের ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছি। সেখানে স্কুল, মসজিদ-বসতভিটা নদের গর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। নদী শাসন ও ভাঙন রোধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডকে বলা হয়েছে। আশাকরি, আগামী বর্ষার আগেই বাঁধ নির্মাণ কাজ শুরু হবে।
ময়মনসিংহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলী বলেন, গৌরীপুরে ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙন রোধে বাঁধ নির্মাণের জন্য স্থানীয় এমপি কথা বলেছেন। উনার ডিও লেটার পেলেই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর বাঁধ নির্মাণের প্রস্তাব পাঠানো হবে।
ইত্তেফাক/নূহু
