নোয়খালীর হাতিয়ায় হত্যাসহ মোট ২৫ মামলার আসামি ও উপজেলার চর ইশ্বর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবদুল হালিম আজাদ চার সহযোগীসহ কোস্টগার্ডের হাতে গ্রেফতার হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার বিকালে লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি টাংকির খাল সংলগ্ন মেঘনা নদী থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। পরদিন শুক্রবার হালিশ আজাদকে নিয়ে র্যাব-৮ ও কোস্টগার্ডের সদস্যরা যৌথ অভিযান চালিয়ে তার স্বীকারোক্তি মতে মেঘনার চরবগুলা খাল থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার করে। উদ্ধারকৃত অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে দুইটি কাটা রাইফেল, একটি শ্যুটারগান, নয় রাউন্ড গুলিসহ নানা অন্যান্য সরঞ্জামাদি। অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় কোস্টগার্ডের সদস্য খোকন মজুমদার বাদী হয়ে হাতিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করে।
গ্রেফতারকৃত অপর চারজন হলেন- ২ মামলার আসামি নাসির উদ্দিন চৌধুরী (৩৫), ২০ মামলার আসামি আশরাফুল হক সোহেল (২৪), ১৬ মামলার আসামি রুপক নন্দী (৪০) ও তিন মামলার আসামি তুষার উদ্দিন (৩৪)। তাদেরকে আজ শনিবার হাতিয়া থানা থেকে কোর্টের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
গত বুধবার নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় এমপি আয়েশা ফেরদাউসের বাসভবনে হামলার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলা এবং এসময় কর্তব্যরত পুলিশের উপর হামলায় দায়েরকৃত মামলায় গ্রেফতারকৃত ইউপি চেয়ারম্যান হালিম আজাদ এক নাম্বার আসামি বলে হাতিয়া থানা পুলিশ জানিয়েছে।
হাতিয়ার তমরুদ্দি কোস্টগার্ড ক্যাম্পের কমান্ডার লে. বোরহান উদ্দিন ইত্তেফাককে জানান, গত বৃহস্পতিবার বিকালে এসব অপরাাধীরা নৌ-পথে পালিয়ে যাচ্ছে এমন গোপন খবর পেয়ে মেঘনা নদীতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
হাতিয়া থানার ওসি আবদুল মজিদ ইত্তেফাককে জানান, হত্যাসহ ২৫ মামলার আসামি ও উপজেলার চর ইশ্বর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবদুল হালিম আজাদ বিপুল অস্ত্রশস্ত্র এবং চার সহযোগীসহ গ্রেফতারের পর শুক্রবার রাতে হাতিয়া থানায় সোপর্দ করা হয়। পুলিশ শনিবার হাতিয়া কোর্টের মাধ্যমে নোয়াখালী জেল হাজতে প্রেরণ করে।
ইত্তেফাক/এমআই
