গোয়ালন্দে সড়কের বেহাল দশা

আপডেট : ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ১৪:৩৩
 
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার উজানচর ইউনিয়নের হাবিল মণ্ডল পাড়া থেকে দরাপের ডাঙ্গী সড়কের কাজ শেষ করার এক বছর পার না হতেই বেহাল দশা হয়েছে।
 
অভিযোগ ওঠেছে নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে পাকা সড়ক নির্মাণ করায় ভারী বৃষ্টিতে কার্পেটিং উঠে সড়কের কয়েকস্থান ভেঙে খোয়া বের হয়ে আলাদা হয়ে যানবাহন চলাচল বন্ধের উপক্রম হয়েছে। এতে ওই অঞ্চলের বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ ১৫টি গ্রামের মানুষ দুর্ভোগে পড়েছে।
 
স্থানীয় লোকজনের সাথে কথা বলে জানা গেছে, সড়কটির কাজের শুরু থেকেই তাদের অনেক অভিযোগ ছিল। নিম্নমানের খোয়া, ইট দেওয়া এবং প্রয়োজনীয় মাফিক না দিয়ে কম পরিমাণে পিচ মাটি দিয়ে কার্পেটিং করাসহ নানা ধরনের অভিযোগ ছিল। কাজটি শেষ হওয়ার এক বছরের মধ্যেই সড়কের বিভিন্ন স্থানে কার্পেটিং উঠে খোয়া বের হতে শুরু করে।
 
গোয়ালন্দ উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, উজানচর ইউনিয়নের হাবিল মণ্ডল পাড়া থেকে দরাপের ডাঙ্গী পর্যন্ত সড়কের পাকা করণ কাজের চুক্তি হয় ২০১০ সালে। উপজেলার মের্সাস প্রভাতি কনস্ট্রাকশন নামক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ পেলেও নানা জটিলতার কারণে কাজটি পরবর্তীতে অনেক দেরিতে শুরু করেন আরেক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মের্সাস চৌধুরী ট্রেডার্স। কাজটি শেষ হয় ২০১৫ সালের মার্চ মাসে। কাজের চুক্তি মূল্য ধরা ছিল প্রায় ৭০ লাখ ৯৪ হাজার ১৪৭ টাকা।
 
উজানচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল হোসেন ফকির বলেন, গত দুই দিন আগে ভাঙ্গাচোরা স্থানে কিছু মাটিভর্তি বস্তা ফেলে যানবাহন চলাচলের উপযোগী করা হয়েছে।
 
উপজেলা প্রকৌশলী মো. সহিদুল ইসলাম জানান, সাম্প্রতিক বন্যা বা অতি বৃষ্টিতে রাস্তাটির ব্যাপক ক্ষতি হয়। কয়েক দিন আগে সংস্কার কাজ করা হলেও গত কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টিতে রাস্তাটি ফের বেহাল দশায় পরিণত হয়। এখন ক্ষতির কোন প্রকল্প বরাদ্দ পেলে কাজ করা যাবে। তাছাড়া কাজ করার কোন সম্ভাবনা নেই। উপজেলা পরিষদের সমন্বয় সভায় আলোচনা হয়েছে। অপ্রত্যাশিত খাত থেকে ছোট-খাটো মেরামত করে সচল রাখা যায় এমন কিছু কাজ করা যেতে পারে।
 
ইত্তেফাক/জামান