কুষ্টিয়ায় দু'পক্ষের সংঘর্ষ: নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩

আপডেট : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ১৪:০৩
 
কুষ্টিয়ায় সদর উপজেলার ঝাউদিয়া ইউনিয়নের বুজরুখ বাখইল গ্রামে আওয়ামী লীগের দুপক্ষের সংঘর্ষে এ পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা দাঁড়ালো তিনজনে। সর্বশেষ মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে কুষ্টিয়া ২৫০ বেড জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সাহানুরের (৪৫) মৃত্যু হয়েছে।এর আগে বিল্লাল ও এনামুল নামে দুজন সড়কিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হন।
 
পুলিশ জানায়, গত ৭ সেপ্টেম্বর কুষ্টিয়ার সদর উপজেলার ঝাউদিয়া ইউনিয়নের বুজরুখ বাখইল গ্রামে আওয়ামী লীগ নেতা ও বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান কেরামত আলী ও একই ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান বখতিয়ার হোসেনর লোকজন দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত সংঘর্ষে লিপ্ত হলে ঘটনাস্থলেই বিল্লাল ও এনামুল নিহত এবং উভয়পক্ষের ১০ জন আহত হন। সড়কিবিদ্ধ সাহানুর পুলিশ প্রহরায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার রাতে মারা যান।
 
নিহত সাহানুর কেরামত গ্রুপের সমর্থক এবং বুজরুখ  বাখইল গ্রামের মারফত মণ্ডলের ছেলে। ওই হত্যাকাণ্ড ও সংঘর্ষের ঘটনায় ঝাউদিয়া ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান কেরামত আলীসহ ১৫ জনকে পুলিশ গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠিয়েছে। অপর ১০ আসামী পুলিশ প্রহরায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এদিকে এ ঘটনায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানার এসআই কমলেশ দাস বাদী হয়ে হত্যা, পুলিশকে মার-ধর ও সরকারি কাজে বাধাদানের অভিযোগে এজাহার নামীয় একশ' জনসহ অজ্ঞাত তিনশ' জনকে আসামি করে থানায় মামলা করেন। এছাড়া নিহত এনামুলের স্ত্রী আরজিনা বাদী হয়ে আরেকটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এদিকে বুধবার দুপুরে কুষ্টিয়া ২৫০ বেড জেনারেল হাসপাতালে ময়না তদন্ত শেষে লাশ সাহানুরের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
 
কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানার ওসি মোহাম্মদ রতন শেখ জানান, ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত থাকার অপরাধে বেশ কিছু আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্যদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলে তিনি জানান।
 
ইত্তেফাক/জামান