টানা কয়েক মাসের বৃষ্টিতে রাজবাড়ী সদর উপজেলার শহীদওহাবপুর ইউনিয়নের পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডে খালের মধ্যে দিয়ে তৈরি খ্রিস্টান মিশন-বাড়ইপাড়া গ্রামের যোগাযোগের প্রধান কাঁচা রাস্তা ভেঙে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এতে করে ওই রাস্তা দিয়ে চলাচলকারী স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীসহ চার গ্রামের মানুষ দুর্ভোগে পড়েছে।
আহলাদীপুর ব্যাপ্টিস্ট চার্চ শিশু নিকেতন স্কুলের পাশের খালের মধ্যে দিয়ে প্রায় দুইশ' ফুট কাঁচা রাস্তার ভেঙে,ধসে ও ডুবে গেছে। বর্তমানে কাচা রাস্তা সংলগ্ন পুকুরটি বৃষ্টিতে পানি ডুবে রয়েছে। ভোক্তাভোগীদের দাবী, খালের মধ্যে দিয়ে তৈরি ওই রাস্তার বেহাল অবস্থা থাকার পর বারবার ইউপি চেয়ারম্যানের সাথে যোগাযোগ করলেও তিনি বিষয়টি আমলে নেয়নি। কয়েক মাস আগে মেরামত কাজ না করায় ও চেয়ারম্যানের অবহেলায় তাদের এ দুর্ভোগ।
ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের গোয়ালন্দ মোড় বাজার ব্যবসায়ী মোল্লাপাড়া, বিশ্বাসপাড়া, বাড়ইপাড়া, দত্তপাড়া এলাকায় শতাধিক ছোট-বড় ব্যবসায়ীগণ, স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীসহ ওই রাস্তা দিয়েই হাজারো মানুষ প্রতিনিয়ত জেলা শহর সহ বিভিন্ন স্থানে যোগাযোগ করে থাকেন।
আহলাদীপুর ব্যাপ্টিস্ট চার্চ শিশু নিকেতন স্কুল সামনের সড়কে পার্শ্ববর্তী মাস্টারের বাড়ির গণি মাস্টার, মো. আলম, বাড়ই পাড়া গ্রামে ব্যবসায়ী হাসান, শাহীন, রমজান, শুকুর, মোল্লাপাড়া এলাকার বাসিন্দা ও আলহাজ্ব নিজাম উদ্দিন আহম্মদ উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র সহকারী প্রধান শিক্ষক মো. সানাউল্লাহ বিশ্বাস প্রমুখ জানান, আমরা দীর্ঘদিন যাবত চেয়ারম্যান, মেম্বারদের কাছে আলোচনা করার পরও এই অবহেলিত রাস্তাটি সংস্কারের দিকে কেউ লক্ষ্য করছে না। জোর দাবী জানাবো, আমাদের এ দুর্ভোগ থেকে পরিত্রাণ পেতে।
এ ব্যাপারে শহীদওহাবপুর ইউনিয়নের পাঁচ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য মো. হাবিবুর রহমান (বাবু) জানান, আমি কয়েকবার এসে কাঁচা রাস্তাটি দেখেছি। আমার কী করার আছে বলেন, রাস্তাটি মেরামতের বিষয়টি নিয়ে ইউপি চেয়ারম্যানকে বারবার তাগিদ দিলেও, তিনি কথাটি আমলে নেয়নি। চেয়ারম্যান বলেন, বরাদ্দ আসলে অবশ্যই কাজ করা হবে। জানতে চাইলে শহীদওহাবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. তোরাপ আলী মণ্ডল বলেন, 'বরাদ্দ আসলে অবশ্যই কাজ করা হবে।'
ইত্তেফাক/জামান
