একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। প্রকাশ্যে ভোট চাইছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের বর্তমান প্রায় সকল সংসদ সদস্যই বিভিন্ন সভায় ভোটারদের কাছে নৌকার পক্ষে ভোট চাইছেন। অন্যদিকে, বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীরা গণসংযোগ বাড়িয়ে দিয়েছেন। আর নতুন প্রার্থীরা নিয়মিত জনসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকেও নির্বাচনের প্রস্তুতি চলছে। কোণঠাসা হয়ে থাকা জামায়াতে ইসলামীও ক্রমশই সক্রিয় হয়ে উঠছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নির্বাচনী আসন ছয়টি। ইতোমধ্যে মাঠপর্যায়ে নির্বাচনী তথ্য সংগ্রহ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে। সরকারি একটি সংস্থার পক্ষ থেকে এ সংক্রান্ত কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। সূত্র বলেছে, সংসদ নির্বাচনে কারা প্রার্থী হতে পারেন, প্রার্থীদের সঙ্গে ভোটারদের সম্পর্ক, প্রার্থীদের আচার-আচরণসহ বেশ কিছু তথ্য নেওয়া হচ্ছে। সম্প্রতি ছয়টি আসন থেকে অন্তত ৫০ জন সম্ভাব্য প্রার্থীর নাম সরকারের উপর মহলে পাঠানো হয়েছে। প্রতিনিয়তই এসব তথ্য আপগ্রেড করার কাজ চলছে।
এ জেলায় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও বিএনপিতে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব রয়েছে। তবে জাতীয় পার্টিতে তেমন কোনো দ্বন্দ্ব নেই। সর্বশেষ নির্বাচনে ছয়টি আসনের পাঁচটিতেই আওয়ামী লীগের এমপিরা এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে জাতীয় পার্টির এমপি বিজয়ী হয়েছেন। আসনগুলোতে বর্তমান সংসদ সদস্যরা পুনরায় মনোনয়ন পাওয়ার জন্য যেমন গণসংযোগ পূর্বের চেয়ে বাড়িয়েছেন তেমনি লবিং-গ্রুপিংও করছেন। পাশাপশি পুরনো মুখ ছাড়াও নতুন প্রার্থীরাও মাঠে নেমে গণসংযোগ করছেন। কভারেজের জন্য যোগাযোগ করছেন সাংবাদিকদের সঙ্গেও। তবে বিভিন্ন আসনে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব উভয় দলের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে। ইতোমধ্যেই কোথাও কোথাও দ্বন্দ্ব প্রকাশ্য রূপ নিতে শুরু করেছে।
ইত্তেফাক/নূহু
