রাজশাহীর বায়ায় অবস্থিত সরকারি সেফহোম থেকে দুই কিশোরী নিখোঁজ হয়েছেন। শনিবার রাত ১০টার পর থেকে তাদের আর পাওয়া যাচ্ছে না। সেফ হোম কর্তৃপক্ষের দাবি, বাথ রুমের পিছনের গ্রিল ভেঙে তারা পালিয়ে গেছে। এ বিষয় শাহ্ মখদুম থানায় জিডি করা হয়েছে বলে জানান, সেফ হোমের উপ-তত্ত্বাবধায়ক লাইজু রাজ্জাক।
নিখোঁজ দুই কিশোরীর নাম তানজিলা আক্তার ও সুমি আক্তার। তাদের দু'জনের বয়স ১৬ বছর। তাদের মধ্যে তানজিলার বাড়ি রংপুরের তারাগঞ্জ এলাকায়। গত ১২ সেপ্টেম্বর তাকে সেফহোমে পাঠায় রংপুরের একটি আদালত। আর সুমির বাড়ি নীলফামারীর ডোমার এলাকায়। গত ২৯ আগস্ট নীলফামারীর একটি আদালতের নির্দেশে সুমিকে বায়া সেফহোমে পাঠানো হয়।
উপ-তত্ত্বাবধায়ক লাইজু রাজ্জাক আরও বলেন, শনিবার রাত ৯টার থেকে ১০টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ ছিল না। এ সময়ের মধ্যে তারা দুইজন বাথ রুমের পিছনের ভেন্টিলিটারের গ্রিল ভেঙে তারা পালিয়ে গেছে। রাত ১০টার পর থেকে এলাকাসহ বাস টার্মিনাল ও রেলওয়ে স্টেশনে অনেক খোঁজাখুঁজি করে তাদের না পেয়ে থানায় জিডি করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
লাইজু আরও বলেন, শনিবার সন্ধ্যায় মোবাইল ফোনে তাদের মায়ের সঙ্গে কথা বলানো হয় ওই দুই কিশোরীকে। তাদের নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করতে তার মাকে বলা হয়ে ছিল। কারণ তাদের বিরুদ্ধে কোন মামলা নেই বলে জানান তিনি।
শাহ্ মখদুম থানার ওসি জিল্লুর রহমান বলেন, বাথ রুমের ভেন্টিলিটারের গ্রিল ভেঙে দুই কিশোরী পালিয়ে গেছে বলে অভিযোগ করে শনিবার রাতে সেফহোমের উপ-তত্ত্বাবধায়ক লাইজু রাজ্জাক থানায় জিডি করেছেন। বিষয়টি পুলিশ তদন্ত করেছেন। ওই দুই কিশোরীকে উদ্ধারে তৎপরতা চালানো হচ্ছে। ইতোমধ্যেই রংপুর ও নীলফামারিরসহ বিভিন্ন থানায় বার্তা পাঠানো হয়েছে বলে জানান ওসি।
ইত্তেফাক/জামান
