মির্জাপুর উপজেলার বহুরিয়া ইউনিয়নের লৌহজং নদীর শাখা নদীর উপর একটি পাকা ব্রিজ নির্মাণ করা হয়নি। এতে এলাকাবাসীকে যাতায়াতে চরম দুর্ভোগের শিকার হতে হচ্ছে। শুকনো মৌসুমে ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো ও বর্ষা মৌসুমে খেয়া নৌকায় স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীসহ লোকজন পারাপার হয়। এলাকার ১৫ গ্রামের যাতায়াতে স্বেচ্ছাশ্রমে এ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে।
বহুরিয়া বাজারের ব্যবসায়ী মো. আনোয়ার হোসেনসহ অনেকেই বলেন, উপজেলার অন্য ১৩টি ইউনিয়নের মধ্যে বহুরিয়া সবচেয়ে বেশি অবহেলিত। বিশেষ করে যোগাযোগের ক্ষেত্রে এলাকাবাসীর দুর্ভোগের শেষ নেই। প্রতিটি এলাকার রাস্তা-ঘাটের খুবই দুরাবস্থা। এছাড়া নদী ও খাল-বিলে পাকা ব্রিজ না হওয়ায় জেলা শহর টাঙ্গাইল ও উপজেলা সদর মির্জাপুরের সঙ্গে এলাকাবাসী সরাসরি যোগাযোগ থেকে বঞ্চিত যুগ যুগ ধরে। দক্ষিণ মির্জাপুরের মধ্যে বহুরিয়া, গেরামারা, গজারিয়া, গোহাইলবাড়ি, গবড়া ও ভাওড়া ইউনিয়নের হাজার হাজার লোকজনের প্রতিদিনের যাতায়াত করতে হয় নানা প্রতিকূলতার মধ্যে। কিন্তু মাঝপথে বহুরিয়া এলাকায় নদীর উপর একটি পাকা ব্রিজ না হওয়ায় দুর্ভোগের শিকার হতে হচ্ছে।
এই নদীর উপর একটি পাকা ব্রিজ নির্মাণ এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি হলেও আজ পর্যন্ত তা বাস্তবায়ন হয়নি। সরকারিভাবে কোনো সহযোগিতা না পাওয়ায় এলাকাবাসী নিজেদের উদ্যোগে চাঁদা তুলে একটি বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করেছে।
বহুরিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. আব্দুস সামাদ বলেন, এই নদীর উপর একটি পাকা ব্রিজ নির্মাণ জরুরি। কিন্তু বরাদ্দ না আসায় নির্মাণ হচ্ছে না। এখানে একটি পাকা ব্রিজ নির্মাণের জন্য তিনি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন।
ইত্তেফাক/নূহু
