৮০ হাজার বস্তা চাল জব্দ

আপডেট : ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ২৩:৪৯

চাল মজুতদারদের ধরতে দেশব্যাপী অভিযান চালাচ্ছে সরকার। গতকাল বৃহস্পতিবারও সারাদেশে অভিযান চালানো হয়। অভিযানকালে ৮০ হাজার বস্তা চাল জব্দ ও দুই ব্যবসায়ীকে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

চট্টগ্রাম অফিস জানায়, অবৈধ মজুতদারির অভিযোগে গতকাল চট্টগ্রামের একটি গুদাম থেকে ৪ হাজার টনের সমপরিমাণ ৮০ হাজার বস্তা চাল জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। মাসুদ অ্যান্ড ব্রাদার্স নামে একটি প্রতিষ্ঠান এ চালের মালিক। নগরীর সাগরিকা এলাকার আহমেদ ট্রেডিং নামের একটি গুদাম থেকে চালগুলো জব্দ করা হয়। এক মাসের বেশি সময় ধরে চাল মজুদ রাখার অপরাধে গুদামের ব্যবস্থাপক মো. তাহেরকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও গুদামটি সিলগালা করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মোরাদ আলী ইত্তেফাককে জানান, সাগরিকা এলাকায় বেশ কয়েকটি চালের গুদামে অভিযান চালানো হয়েছে। অভিযানে দেখা যায়, মাসুদ অ্যান্ড ব্রাদার্স নামের একটি চালের গুদামে ১ মাস ৯ দিন ধরে চাল মজুত করে রাখা হয়েছে যেখানে ৮০ হাজার বস্তায় প্রায় ৪ হাজার টন চাল রয়েছে। সাধারণত ১ মাসের বেশি সময় ধরে মজুত রাখার নিয়ম না থাকায় চালগুলো জব্দ করে প্রতিষ্ঠানটিকে সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে।

কালীগঞ্জ (গাজীপুর) সংবাদদাতা জানান, গাজীপুরের কালীগঞ্জ বাজারে গতকাল নির্দিষ্ট পরিমাণের চেয়ে অধিক চাল মজুত করার অপরাধে দুই চাল ব্যবসায়ীকে অর্থদণ্ড করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। অর্থদণ্ডকৃত চাল ব্যবসায়ীরা হলেন-      কালীগঞ্জ বাজারের মেসার্স গৌরাঙ্গ ভাণ্ডারের মালিক বাদল চন্দ্র দাস ও  মেসার্স জামান স্টোরের মালিক মো. জামান মিয়া।  

জানা গেছে, নির্দিষ্ট পরিমাণের চেয়ে অধিক চাল মজুত করার অপরাধে ভোক্তা অধিকার আইনের ২০০৯ এর ৪৫ ধারা মোতাবেক মেসার্স গৌরাঙ্গ ভাণ্ডারকে ৩০ হাজার টাকা এবং মেসার্স জামান স্টোরকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। সূত্র জানায়, ব্যবসায়ীদের কাছে সর্বোচ্চ ১৫ টন চাল মজুত থাকার কথা। কিন্তু মেসার্স গৌরাঙ্গ ভাণ্ডারে ৬৫.৭ টন এবং মেসার্স জামান স্টোরে ২৯.২৫ টন চাল মজুত পাওয়া যায়। পরে দিনের মধ্যে মজুতকৃত চাল অন্য ব্যবসায়ীদেরকে দিয়ে দেওয়ার শর্তে মুচলেকা নেওয়া হয়।

ইত্তেফাক/নূহু