বাড্ডায় রহস্যজনক আগুনে মায়ের পর সন্তানের মৃত্যু

আপডেট : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ০৯:৩৪
 
বাড্ডার বৈঠাখালীতে অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ দুই সন্তানের মধ্যে আমানউল্লাহ জিসান (১১) সোমবার ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে। এ নিয়ে এ ঘটনায় দুইজনের মৃত্যু হলো। গত শনিবার গভীর রাতে কাঠের দোতলা বাড়িতে অগ্নিকাণ্ডে মা জেসমিন মারা যান। দগ্ধ দুই সন্তান আমানউল্লাহ জিসান (১১) ও সানজিদাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। তাদের বাবা আব্বাস আলী কুয়েত প্রবাসী।
 
বার্ন ইউনিটের আবাসিক সার্জন পার্থ শঙ্কর পাল গতকাল বলেন, দগ্ধ দুই শিশুর অবস্থা আগে থেকেই আশঙ্কাজনক ছিল। ওদের শ্বাসনালী পুড়ে যায়। আমানউল্লাহর শরীরের ৩০ শতাংশ আর সানজিদার ২৮ শতাংশ পুড়ে যায়। এদিকে, অগ্নিকাণ্ডের সেই ঘটনা তদন্তের কোনো কুল-কিনারা করতে পারেনি পুলিশ। পুলিশ এখনো ঘটনা নিয়ে অন্ধকারে রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, আব্বাসের স্ত্রী সন্তানদের মেরে ফেলার উদ্দেশ্যেই গত রবিবার ভোরের দিকে বাড্ডার বৈঠাখালী এলাকায় বসতঘরে পরিকল্পিতভাবে আগুন দেওয়া হয়। ঘটনায় স্থানীয় প্রভাবশালীরা জড়িত থাকতে পারে। ওই আগুনে দগ্ধ হন জেসমিন আক্তার (৩২) ও তার দুই সন্তান জিসান (১১) ও সানজিদাকে (৮) ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করার পর থেকে স্বজনদের একটাই দাবি, স্থানীয় প্রভাবশালীরা এ ঘটনার জন্য দায়ী।
 
এ ঘটনায় গতকাল সোমবার বিকাল পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি। বাড্ডা থানার ওসি কাজী ওয়াজেদ মিয়া গতকাল বিকালে বলেন, প্রাথমিক তদন্তে ঘটনাটি রহস্যজনক মনে হয়েছে। তবে এখনো কোনো অভিযোগ পাইনি। পরিবারের কাছ থেকে অভিযোগ পাওয়া গেছে, কেউ পরিকল্পিতভাবে আগুন দিয়েছে। কিন্তু কারা এই ঘটনায় জড়িত তা এখনো জানা যায়নি। গুরুত্ব দিয়ে ঘটনার তদন্ত চলছে।
 
ইত্তেফাক/এমআর