তাড়াশে ৩৯টি মণ্ডপে শারদীয় দুর্গোত্সব

আপডেট : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ১৫:৪০
যথাযথ উত্সাহ-উদ্দীপনা ও ধর্মীয় গাম্ভীর্য এবং অনুষ্ঠানাদির মধ্য দিয়ে মঙ্গলবার সকাল থেকে জেলার তাড়াশ উপজেলার ৩৯টি মণ্ডপে শারদীয় দুর্গা উত্সবের শুর হয়। ঐ দিন ভোর থেকেই শ্রী শ্রী চণ্ডীপাঠ করা হচ্ছে মণ্ডপগুলোতে। ঢাক-ঢোল, কাঁসর ঘন্টা আর শঙ্খের ধ্বনিতে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়ছে চারদিকে। মহাষষ্ঠী পূজা দিয়ে শুরু হয় পাঁচ দিনের এই দুর্গোৎসব।
 
আলোকসজ্জা আর নানা রকম সাজসজ্জায় সাজানো হয়েছে সব পূজা মণ্ডপ। বছর ঘুরে দেবীর আগমনে এ সময় চোখে পড়ে মণ্ডপে মণ্ডপে পূজারী, ভক্তবৃন্দ আর দর্শণার্থীর ভিড়। ধর্মীয় অর্চনার মধ্য দিয়ে নিজেদের, দেশ ও জাতির কল্যাণে প্রার্থনা করছেন অনেকে। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের পাশাপাশি আনন্দ ভাগ করে নিচ্ছেন স্থানীয় মুসলমানরাও। বেশকিছু এলাকায় দুর্গাপূজা উপলক্ষে মণ্ডপের আশপাশ দিয়ে মেলা বসেছে। এসব মেলা থেকে উপহারসামগ্রীসহ ঘরের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনতে দেখা যায় লোকজনকে। এদিকে পূজা মণ্ডপগুলোতে আনন্দের মাত্রা বাড়িয়ে তোলার লক্ষে রাতে আরতি প্রতিযোগিতার আয়োজন করছেন পূজা কমিটি। গভীর রাত পর্যন্ত নাচ আর ভক্তিমূলক গানের মধ্য দিয়ে চলে এসব আরতি।
 
উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি প্রশান্ত ঘোষ জানান, সমাজে অন্যায়, অবিচার, অশুভ ও অসুর শক্তি দমনের মাধ্যমে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দুর্গাপূজা হয়ে থাকে। বিশুদ্ধ পঞ্জিকামতে জগতের মঙ্গল কামনায় এ বছর নৌকায় আগমন ও ঘোটকে গমন হচ্ছে দেবীর। গত সোমবার ছিল দুর্গতিনাশিনী দশভুজা দেবী দুর্গার বোধন। আগামীকাল শুক্রবার বিজয়া দশমী ও প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে পাঁচ দিনের দুর্গোত্সব।
 
তাড়াশ থানা ওসি মো. মনজুর রহমান জানান, দুর্গাপূজার শেষ অবধি নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে।
 

ইত্তেফাক/এএম।