বাবুগঞ্জে রাতের আঁধারে নদী ভাঙনে প্রায় পাঁচটি ঘর নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। আরো হুমকিতে রয়েছে দুইটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ একটি সেতু। বাবুগঞ্জে গত দুই দিনের আকস্মিক নদী ভাঙনে পাঁচটি পরিবার নিস্ব হয়ে গেছে। সুগন্ধা নদীর থাবায় বাবুগঞ্জ উপজেলার মহিষাদি গ্রামের পাঁচটি পরিবারের সদস্যরা সব হারিয়ে শুধু প্রাণে বেঁচে রয়েছে। বাড়ি ঘর সরিয়ে নিচ্ছেন প্রায় ১০টি পরিবার। এ ছাড়া মহিষাদি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও রাশিদা মোশারফ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ঢুকে পড়েছে ভাঙন। হুমকিতে রয়েছে ক্যাপ্টেন মো. মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সেতুসহ পুরো মহিষাদি গ্রাম।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নদীর কাছাকাছি ঝুঁকি নিয়ে রাস্তার ওপর না খেয়ে জীবন যাপন করছেন পরিবারগুলো । দুটি পরিবারের ঠাঁই হয়েছে একটি চায়ের দোকানে। গত রবিবার গভীর রাতে নদীগর্ভে চলে যায় আব্দুল হাই, আব্দুল রশিদ হাং, রাহীমা বেগম, আলম হাং ও জলিল হাওলাদারের ঘর ও ভিটামাটি। এ সময় তারা ঘরেই ঘুমিয়ে ছিলেন। পার্শ্ববর্তী ইট ভাটার শ্রমিকরা খবর পেয়ে তাদের উদ্ধার করে প্রাণে রক্ষা করেন। এ সময় পল্লী বিদ্যুত্-২ সমিতির একটি বিদ্যুতের খুঁটি ভাঙনে নিয়ে যায়। আজাহার আলী ও মালেক হাওলাদারের পাকাঘর ঝুঁকিতে রয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারগুলো শুধু হাহাকার করছেন এবং উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করছেন।
ইত্তেফাক/নূহু
