বগুড়া সোনাতলা সদর-সুজাইতপুর পাকা সড়কের ব্রিজটি বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ১৭ গ্রামের মানুষের যাতায়াতে দুর্ভোগ হচ্ছে।
উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন এ সড়ক দিয়ে যাতায়াত করা হয় সোনাতলা রেল স্টেশন, উপজেলা পরিষদ, হাসপাতাল, থানা, বাজার, বাসটার্মিনাল, সিএনজি স্ট্যান্ড ও কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। উপজেলা পরিষদ থেকে দক্ষিণে সামান্য দূরে এ সড়কেই অবস্থিত ছোট একটি ঢালাই ব্রিজ। সড়কের ব্রিজটির ওপর দিয়ে সুজাইতপুর, কাবিলপুর, চামুরপাড়া, কামারপাড়া,বড়বালুয়া, মাগুরাদহপাড়া, সোনাতলাবন্দর, সাহবাজপুর, গড়ফতেপুর, গড়চৈতন্যপুর, গোপাইবাড়ি, আগুনিয়াতাইড়, চমরগাছা, লাহিড়ীপাড়া, বিশুরপাড়া, নিত্যনন্দপুর ও বৃহত্তর বাইগুনি গ্রামের মানুষ প্রয়োজনের তাগিদে যাতায়াত করে থাকে।
উপজেলা পরিষদের দক্ষিণ এলাকার মানুষের উপজেলা সদরে প্রবেশের এটি অন্যতম সড়ক। সড়কের ব্রিজটি গত আগস্ট মাসে ভয়াবহ বন্যার পানির স্রোতে ক্ষতি হয়েছে। ফলে কিছুদিন ওই সড়ক দিয়ে যাতায়াত সম্পূর্ণ বন্ধ থাকে। ব্রিজটি সোনাতলা পৌরসভার আওতায়। তাই পৌর কর্তৃপক্ষ যাতায়াতে দুর্ভোগের বিষয়টি চিন্তা করে ব্রিজের নিচে ধ্বসে যাওয়া স্থানে প্রচুর মাটি ভরাট করে দিয়েছে। সেইসাথে ব্রিজের ওপরে উত্তর পাশে বাঁশের মাচান স্থাপন করে মানুষের যাতায়াতের ব্যবস্থা করে দিয়েছে।
এতে পৌরসভার প্রায় ৮৫ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে বলে পৌর প্যানেল মেয়র মো. তাহেরুল ইসলাম সরকার জানিয়েছেন। তিনি আরও জানিয়েছেন পানি শুকিয়ে গেলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিয়ম অনুযায়ী ক্ষতিগ্রস্ত ব্রিজটির মেরামত কাজ শুরু করবে। মেরামত না হওয়া পর্যন্ত বেহাল দশা ব্রিজের ওপর দিয়ে মানুষ ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছে। কিন্তু যাত্রীসহ ভ্যান, ভটভটি কিংবা সিএনজি'র মতো ভারী কোন যানবাহন পারাপার করা সম্ভব হয় না। ১ সেপ্টেম্বর সোনাতলা-সারিয়াকান্দি (বগুড়া-১) আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল মান্নান ক্ষতিগ্রস্ত ব্রিজটি পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে সংসদ সদস্য বগুড়া এলজিইডি'র নির্বাহী প্রকৌশলীকে ক্ষতিগ্রস্ত ব্রিজটি শিগগির মেরামত করার উদ্যোগ নিতে বলেন।
ইত্তেফাক/জামান
