প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জীবনসায়াহ্নে মর্যাদার সঙ্গে প্রবীণদের পরিচর্যা ও কল্যাণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা রাষ্ট্র, পরিবার তথা সমাজের অবশ্য কর্তব্য।
আগামীকাল ‘আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস’ উপলক্ষে দেয়া আজ শনিবার এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘প্রবীণ জনগোষ্ঠী দেশের মোট জনসংখ্যার একটি সংবেদশীল ও অবিচ্ছেদ্য অংশ। কর্মময় জীবনে নিজ নিজ পরিবার, সমাজ ও দেশ গঠনে তাঁরা অত্যন্ত নিষ্ঠা, আন্তরিকতা ও উত্সাহ উদ্দীপনা নিয়ে কাজ করেছেন। আজকের এই সমাজ বিনির্মাণে তাঁদের ভূমিকাই মুখ্য।’
প্রবীণদের সার্বিক কল্যাণে সরকারের নানামুখী কর্মসূচি বাস্তবায়নের কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, সরকার বয়স্কভাতা কর্মসূচি চালুর পাশাপাশি জাতীয় প্রবীণ নীতিমালা ২০১৩ এবং পিতামাতার ভরণপোষণ আইন ২০১৩ প্রণয়ন করেছে।
তিনি বলেন, প্রবীণদের স্বাস্থ্য ও চিকিত্সাসেবা উন্নয়নের পাশাপাশি সামাজিক নিরাপত্তার প্রতিটি খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে। এছাড়া প্রবীণ উন্নয়ন ফাউন্ডেশন গঠনের মাধ্যমে প্রবীণসেবা কর্মসূচি আরো গতিশীল করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
প্রবীণদের কল্যাণে আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক প্রচেষ্টাসমূহ আরো বেগবান হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সকলের সম্মিলিত প্রয়াসের মাধ্যমে আমরা প্রবীণদের জন্য একটি সুখী ও সুন্দর পৃথিবী উপহার দিতে পারব।’
তিনি ‘আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস-২০১৭’ উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করে বলেন, ‘বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও ১ অক্টোবর আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস পালন করা হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত।’
দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘ভবিষ্যত্ অগ্রসরে : সমাজে প্রবীণদের দক্ষতা, অবদান এবং অংশগ্রহণ নিশ্চিত করুন’ অত্যন্ত সময়োপযোগী হয়েছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা দেশের সকল প্রবীণের সুস্বাস্থ্য, মর্যাদাপূর্ণ জীবন এবং সার্বিক কল্যাণ কামনা করেন। খবর বাসস।
ইত্তেফাক/এএম।
