ঝিনাইগাতীতে বন্যায় ১২০০ হেক্টর আমন ফসল পানির নিচে

আপডেট : ০৩ অক্টোবর ২০১৭, ১৬:০৪
শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলায় সাতটি ইউনিয়নে ১২০০ হেক্টর আমন ফসল পানির নিচে তলিয়ে গেছে। আগাম বন্যায় ইরি বোরো ফসলের ১৫০০ হেক্টর জমি পানির নিচে ছিল ।
 
কৃষি কাজের উপর নির্ভরশীল ৮৫ ভাগ মানুষ এই উপজেলায় বাস করে থাকে। বছরে দুইটি ফসলের উপর নির্ভর করে কৃষকরা জীবন যাপন করে থাকেন। ইরি-বোরো ও আসন্ন আমন দুইটি ফসলই বন্যায় কেড়ে নিয়ে কৃষকের স্বপ্ন তছনচ করে দিয়েছে।
 
উল্লেখ্য, ৩০ সেপ্টেম্বর সকালে মুহূর্তেই ঝিনাইগাতী সদর বাজারে আকস্মিক বন্যায় প্লাবিত হয়ে বাড়িঘর পানিতে নিমজ্জ্বিত হয়ে যায়। উপজেলার ঝিনাইগাতী ইউনিয়ন, গৌওরিপুর ইউনিয়ন, ধানশাইল ইউনিয়ন, হাতিবান্ধা ও মালঝি কান্ধাসহ পাঁচটি ইউনিয়নের গ্রামগুলোতে বন্যার পানি প্রবেশ করে প্লাবিত হয়ে হাজারো মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়ে। শেরপুর জেলার সীমান্তবর্তী ঝিনাইগাতী উপজেলায় গত কয়েক দিনের প্রচুর বৃষ্টিপাতের ফলে উজান থেকে বয়ে আশা পানিতে শনিবার ভোর থেকে মহারশি নদী  পাহাড়ি ঢলে প্লাবিত হয়ে বিপত্সীমার উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়। ফলে রামেড়কুড়া মহারশি নদীর পুরাতন ভেঙে থাকা বাঁধ দিয়ে বন্যার পানি প্রবেশ করে ঝিনাইগাতীর তামাগাও, গরুহাটি, মসজিদ রোড, ধানহাটি, মেইন রোড, উপজেলা পরিষদসহ সাবরেজিস্টার অফিস, পোষ্ট অফিস, পশুহাসপাতাল, ঝিনাইগাতী হাসপাতাল রোড, মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স, নার্সারী বিভাগ, কৃষি অফিস, পল্লী দরিদ্র অফিস পাবলিক হল, ইউএনওর বাস ভবন, সদর বাজরের এমন কোন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান নেই যে পানি প্রবেশ করেনি।
 
কৃষকের কষ্টে অর্জিত ইরি বোরো ফসলও ভহাবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা শেরপুর জেলা প্রশাসক ড. মল্লিক আনোয়ার হোসেন নৌকাযোগে পরিদর্শন করেছেন। আসন্ন আমন ফসলের কৃষক মহির উদ্দিন জানায় আমাদের ভাগ্যে কি আছে জানিনা দুটি ফসলই আমাদের সর্বনাশ হয়ে গেছে।
 

ইত্তেফাক/এএম।