ওয়ালটনের নবনির্মিত মোবাইল ফোন কারখানা উদ্বোধন করে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম বলেছেন, দেশের জন্য আজ একটি ঐতিহাসিক দিন, আনন্দের দিন, গৌরবের দিন। এই কারখানা উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে ডিজিটাল বাংলাদেশের নতুন অধ্যায়ের সূচনা হল।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ইচ্ছা ছিল বাংলাদেশেই মোবাইল ফোন উৎপাদন হবে। আজ সেই স্বপ্ন পূরণের সাথী হলো ওয়ালটন। সেই সঙ্গে মোবাইল ফোন উৎপাদনকারি দেশের তালিকায় নাম লেখালো বাংলাদেশ। এজন্য তিনি ওয়ালটনকে ধন্যবাদ জানান।
বৃহস্পতিবার গাজীপুরের চন্দ্রায় দেশের প্রথম স্মার্টফোন কারখানা উদ্বোধন ও পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের কাছে এমন প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম।
IMG0
প্রতিমন্ত্রী বলেন, উচ্চ মানসম্পন্ন হ্যান্ডসেট তৈরির জন্য ওয়ালটন বদ্ধপরিকর। মানসম্পন্ন হ্যান্ডসেট তৈরির ক্ষেত্রে বিটিআরসি (বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগ্যুলেটরি কমিশন) এর যে সকল মানদণ্ড রয়েছে তা পূরণ করেই স্মার্টফোন কারখানা স্থাপন করেছে ওয়ালটন। তারা প্রযুক্তিগতভাবে এগিয়ে যাবার দৃঢ় প্রত্যয়ে পুরোপুরি প্রস্তুত। সে কারণেই তারা মোবাইল ফোন তৈরির অনুমোদন পেয়েছে। এখন আমাদের দায়িত্ব তাদের অগ্রযাত্রাকে মসৃণ করা।
প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, দেশে ব্যবহৃত মোবাইল হ্যান্ডসেটের জন্য বিদেশের উপর নির্ভর করতো হতো। প্রচুর সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও এ খাতে দেশীয় শিল্পের বিকাশ মুখ থুবড়ে পড়েছিল। ওয়ালটন স্মার্টফোন কারখানা স্থাপনের মধ্য দিয়ে সেই পরিস্থিতির উত্তরণ ঘটলো।
এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে ওয়ালটন কারখানা কমপ্লেক্সে পৌঁছলে প্রতিমন্ত্রীকে স্বাগত জানান ওয়ালটন হাইটেক ইন্ড্রাস্ট্রিজ লিমিটেড-এর চেয়ারম্যান এসএম শামসুল আলম, ওয়ালটন ডিজিটেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান এসএম রেজাউল আলম এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক এসএম মঞ্জুরুল আলম।
এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক এসএম জাহিদ হাসান, সিরাজুল ইসলাম, আলমগীর আলম সরকার, সিনিয়র অপারেটিভ ডিরেক্টর এস এম রেজওয়ান আলম ও উদয় হাকিম, অ্যাডিশনাল ডিরেক্টর ফিরোজ আলম ও জাহিদ আলম, মিডিয়া উপদেষ্টা এনায়েত ফেরদৌস প্রমুখ।
ইত্তেফাক/ইউবি
